ব্রেকিং নিউজ
চার অপারেটরকে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা ফোরজি’র লাইসেন্স হস্তান্তর
শিরোনাম :
   সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি    প্রাথমিক সমাপনীতে শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত    ”পরিক্ষীত পদ্বতিতেই দেশের জ্বালানি নিরপত্তা নিশ্চিত করা হবে”    কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন    স্মারকলিপি গ্রহণ করলেন না রাবি উপাচার্য    এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ৪ শিক্ষক গ্রেপ্তার    আন্দোলনের মুখে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি কার্যক্রম    সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী    সংবাদ সম্মেলনে তিনটি সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী    জামালপুরে আড়াই বছরের শিশুর বিরুদ্ধে মামলা

বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি ৯ হাজার কোটি টাকা


বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০১৬, ০৮:১১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি ৯ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৬-১৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি বাবদ ৯ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে।কৃষি খাতের জন্য ১১ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে; যা মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

চলতি ২০১৬-১৬ অর্থবছরে কৃষিতে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিমাণ ভর্তুকি কেবলমাত্র সারের ভর্তুকি খাতেই ব্যয় হবে। আন্তর্জাাতিক বাজারে সারের দাম বেড়ে গেলে কৃষকরা বিপদে পড়বেন। তবে সেচকাজে ডিজেল ব্যবহারের ওপর আলাদাভাবে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।

গবেষণা খাতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হলেও বাজেটে এ খাতে নতুন করে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এর আগে সরকার কৃষি গবেষণা খাতে ৩৫০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রেখেছিল।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে অনুন্নয়ন খাতে ১৩ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বরাদ্দ থেকে ভর্তুকি খাতে ৯ হাজার কোটি ব্যয় হবে। চলতি সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা। আর প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ১১ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা।

সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য সারের মূল্য কৃষকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, কৃষিখাতে প্রণোদনাসহ বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য গুদামের ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ সহায়তা ও অন্যান্য প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ৪৯৯টি কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭২৭টি কৃষক তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থান বাংলাদেশের ভাসমান সবজি চাষ পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে।'

তিনি বলেন, 'দেশের কৃষকের জন্য ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১০ শতাংশ শুল্কের স্থলে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করছি।'

সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির কারণে কৃষি উৎপাদন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

এমকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন