শিরোনাম :

৪৭ বছর পর কৃষকের ভাগ্যবদল


শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭, ০৩:৪১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

৪৭ বছর পর কৃষকের ভাগ্যবদল

এ.এইচ.লিটন পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: পীরগঞ্জ উপজেলার টাঙ্গন নদীতে রাবার ড্যাম নির্মিত করায় ৪৭ বছর পর ঐ নদী এলাকায় কৃষকের ভাগ্য বদল হয়েছে।

জানা যায় উপজেলার সাগুনী বনবিটে সংলগ্ন টাঙ্গন নদীর উপর রাবার ড্যাম নির্মিত করণে নদীর কয়েক হাজার হেক্টর জমি সেঁচের আওতায় এসেছে।

সম্প্রতি সরেজমিন পীরগঞ্জ উপজেলার সাগুনী রাবার ড্যাম ও পাশের দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার রানীরঘাট রাবার ড্যাম এলাকায় দেখা যায়, চলতি খরা মৌসুমে ড্যামের রাবার ফুলিয়ে টাঙ্গন নদীতে মজুদ করে রাখা পানি দিয়েই পীরগঞ্জ উপজেলার সাগুনী, বাঁশগাড়া, চাপোড়, মছলন্দপুর, মশালডাঙ্গী, শিরাইল, জগন্নাথপুর, চান্দোহর ও রানীরঘাটসহ নদীর দুই ধারে প্রায় কয়েক গ্রামের লোকজন তাদের জমিতে চাষাবাদ করছেন।

কৃষকরা জানায় শ্যালো মেশিন চালু করেও পানির লেয়ার পাওয়া যাচ্ছিল কম। বেশি তেল পুড়িয়ে জমিতে সেঁচ দিতে হতো। তাছাড়া নদীর ধারের জমিগুলো খরা মৌসুমে পানির অভাবে চাষ করা যাচ্ছিল না। এখন রাবার ড্যাম তৈরী করণে জমিগুলোতে সব ধরনের ফসল চাষ করার উপযোগী হয়েছে।

রাবার ড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিব উদ্দীন জানায়, রাবার ড্যামের সুফল পেতে শুরু করেছেন এলাকার কৃষকগণ। খরা মৌসুমে কৃষকের আর পানির কোনো সমস্যা হবে না। এদিকে নদীতে পানি থাকায় দেশীয় প্রজাতির মাছও চাষাবাদ হচ্ছে। ফলে ছোট খাটো জেলেরা এর সুফল ভোগ করছেন।

রাবার ড্যামের কারণে ইদানীং টাঙ্গন নদী থেকে দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমত আরা। তিনি বলেন, খরা মৌসুমে রাবার ড্যাম নদীতে ২ থেকে ৩ মাস পানি ধরে রাখার দায় ছিল।

এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাবার ড্যাম এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উপরে উঠে এসেছে। এ কারণে টাঙ্গন নদীন দুই ধারের জমিতে এখন যে কোনো ধরনের ফসল চাষাবাদ করতে সমস্যা হবে না কৃষকদের।

এএইচএল/এমকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন