শিরোনাম :

সাফাল্যের মুখ দেখছে কোটচাঁদপুরের পেয়ারচাষীরা


সোমবার, ২২ মে ২০১৭, ০৪:৩০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সাফাল্যের মুখ দেখছে কোটচাঁদপুরের পেয়ারচাষীরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে পেয়ারা চাষে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলায়। এই পেয়ারা চাষে কোটচাঁদপুরের চাষীদের ঘরে ঘরে সংসারের দুঃখ কষ্টের ভার লাঘব করেছে যেমন, তেমন সাফাল্যে আর ব্যাপক লাভের আশায় বুক বেধেছে লাভজনক পেয়ারা চাষে।পেয়ারাবাগান ভরে গেছে কোটচাঁদপুরের প্রতিটি গ্রাম। ঘরে ঘরে এখন পেয়ারার চাষ।

স্বল্প খরচে অল্প পরিশ্রমে পেয়ারার চাষে লাভ ও দিগুন - জানালেন পেয়ারা চাষী বিশিষ্ট চিন্তক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মাষ্টার। কৃষি বিভাগ সূএে প্রকাশ কোটচাঁদপুর উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫০০ হেক্টর অধিক জমিতে পেয়ারা চাষাবাদ হচ্ছে। সাফাল্যে ডালি এখন কোটচাঁদপুর পেয়ারচাষীদের ঘরে ঘরে। আনন্দে মাতোয়ারা কোটচাঁদপুরের সফল পেয়ারা চাষীদের। মানিকদিহি গ্রামের সফিকুল ইসলাম এ বছরে ৪ বিঘা পেয়ারা চাষ করেছেন।

এছাড়া ও শফিকুল ইসলাম জানান যে, পেয়ারা চাষের মধ্যে সাথি ফসল হিসেবে ঝাল মরিচ, বেগুন, রসুন পেয়াজ ইত্যাদি চাষ করা যায়। তিনি আর ও জানান পেয়ারা বাগানা হতে পেয়ারা কলম কাটিন করে বছরে সেখানে প্রতি ২০ টাকা খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমিতে প্রতিটি চারা হতে প্রায় ৫০/৬০ টাকা হারে বিক্রয় করে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকা আয় হয়। আর সাথী ফসলে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে প্রায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় হয় বাৎসরিকে।


উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের ইয়াছিন আলী জানান প্রতি বিঘা জমিতে পেয়ারা চারা সহ জমি উপযুক্তকরন ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০/৪০ হাজার টাকা। সে জানায় প্রথম বছরে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ বাদে পেয়ারা বিক্রয় করে একজন চাষী ১ /২ লাখ আয় হতে পারে জমির গুনাগুন অনুযায়ী।

দয়রামপুর গ্রামের জিমি শামীমুল হক জানান টেপি চারার চেয়ে গুটি চারার হতে পেয়ারার ধরন বেশি। বাজারে এই পেয়ারার চাহিদ অনেক বেশি। দাম ও বেশি। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের চাষীদের সাথে কথা বলা যায় কোটচাঁদপুর উপজেলার পেয়ারা চাষ করে চাষীরা সাফাল্যের মুখ দেখেছেন এবং সাবালম্বী হয়ে উঠছেন। যে কারনে কোটচাঁদপুর উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরা পেয়ারা চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। অধিক লাভ জনক বলে সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন করে কোটচাঁদপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছাঃ নাজমা খাতুন বলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঠ পর্যায়ে আর সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পসুদে বা বিনা সুদে পেয়ারা চাষীদের কৃষি ঋনের ব্যবস্হা করা হয় তাহলে কোটচাঁদপুর অভাবনীয় পেয়ারা চাষে আরো সাড়া জাগাবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন