শিরোনাম :

বরিশালে বেড়েছে মৎস্য উৎপাদন


মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭, ০৮:১২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বরিশালে বেড়েছে মৎস্য উৎপাদন

বরিশাল প্রতিনিধি: জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৭ উপলক্ষ্যে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল মৎস্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তপন কুমার পাল বলেন- বরিশাল জেলায় ২০১৫-১৬ উৎপাদন বছরে মাছের চাহিদা ছিল ৫৩১২৪.০৬ মেট্রিক টন। তবে সেখানে উৎপাদন হয়েছে ৯১৬৩৭.২৩ মেট্রিক টন। যার কারণে উদ্ধত্বই রয়ে যায় ৩৮৫১৩.১৭ মেট্রিক টন মাছ। এর মধ্যে ইলিশ মাছ উৎপাদন হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন। বিগত ২০১১-১২ সালের থেকে ২০১৫-১৬ তে মাছের উৎপাদন বেড়েছে অনেক।

তিনি বলেন, মৎস্য হ্যাচারী আইন ২০১০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৬টি হ্যাচারীকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মৎস্য খাদ্য আইন ২০১০ বাস্তবায়নের জন্য ৪৭টি খাদ্য বিক্রেতাকে লাইসেন্স এর আওতায় আনা হয়েছে। যার ফলে গুরগত মান সম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।

মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, বরিশাল জেলা ১০ উপজেলায় ২০১৬-১৭ সালের জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচীতে ৪৪৮টি অভিযান, ২’শটি মোবাইল কোর্ট, ৪৪.১৫৮ মে:টন জাটকা জব্দ, ৩৫.১৯ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল আটক, ৩১৯টি দায়েরকৃত মামলা, ১৩.২৯ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং ৯০জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এছাড়া ২০১৬ সালের ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১০ উপজেলায় ৪৭০টি অভিযান, ২১৩টি মোবাইল কোর্ট, ১.৫০৭ মে:টন আটককৃত ইলিশ, ৬.৫০৬২ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল জব্দ, ১৫৩টি দায়েরকৃত মামলা, ৩.৪১৭৫ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং ৮৬ জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করণে বিশেষ অভিযানে ১৩৯টি অভিযান, ৫০টি মোবাইল কোর্ট, ১.৩০৯ মে.টন জাটকা জব্দ, ৭.১৩৬ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল, ৫৯টি মামলা, ১.৫৯ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং ২৭ জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ অভিযানে ১৪০টি বেহুন্দি জাল ও ১৪১টি অন্যান্য জাল উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, ২০১৫-১৬ বছরে ইকোফিস প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫৬১ জেলেদের প্রতি পরিবারকে ৫ হাজার টাকার জাল/হাঁস-মুরগী/ ছাগল বিতরণ করা হয়। এছাড়া ২০১৬-১৭ বছরে ভিজিএফ সহায়তা কার্যক্রমে ৪৩ হাজার ৬৪৪ জেলেকে ৮৭২.৮৮ মে.টন চাল বিতরণ করা হয়।

অন্যদিকে ইলিশ জেলেদের দূর্যোগে মরনোত্তর সহায়তা কার্যক্রমে জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৫-১৬ বছরে ৬ জেলের প্রতি পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ এককালীন প্রদান করা হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন