শিরোনাম :
   জাগো বাংলাতে সাংবাদিকতায় চাকরির সুযোগ    ইরানকে নিয়ে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন হাসান রুহানি    রোহিঙ্গা সংকট: নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান    সু চিকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ফৌজদারি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর সুপারিশ    আজকের রাশিফল: ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার, ২০১৭    নিজেদের মাঠে বেটিসের কাছে হেরে গেল রিয়াল মাদ্রিদ    মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান    রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ২৬২ কোটি টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র    রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে ধ্রুবতারার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত    সাপাহারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাগুলো  দ্রুত সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর 

ঈদ নেই বরিশালে শতাধিক এতিম শিশুর!


মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট ২০১৭, ০৫:১২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ঈদ নেই বরিশালে শতাধিক এতিম শিশুর!

বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল নগরীর পলাশপুর ৫ নং ওয়াড ৭ নং আর্দশ গুচ্ছগ্রাম মধ্য কালভার্ট সংলগ্ন রহমানিয়া কেরাতুল কোরআন হাফিজি ও মাদ্রাসা লিল্লাহ বোডিংটি শতাধিক এতিম শিশুরা অর্থের সহযোগীতা না পাওয়ায় ছাত্রদের নিয়ে পথে পথে কেঁদে বেড়াচ্ছে মাদ্রাসার পরিচালক।

অন্য দিকে এতিম শিশুরা কেঁদে কেঁদে বলেন, আমাদের কেউর মা নেই। আবার কেউর বাবা নেই। তাই আমরা প্রতি ঈদ কোরবানীতে নতুন কোন পোষাকের মূখ দেখতে পাচ্ছিনা। আমাদের নতুন পোষাক দেওয়ার মত কেউ নেই। কোন সহযোগীতারও পাচ্ছিনা আমাদের মাদ্রাসায়। ঈদ কোরবানী থেকে বঞ্চিত ছাড়া কিছুই জুটেনা আমাদের কপালে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,প্রায় শতাধিক এতিম গরীব রয়েছে এই মাদ্সায় কিন্তু তারা কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থের সহযোগীতা না পাওয়ার কারনে কোরবানীতে পোষাক, খাবার, থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

এতিম ছাত্ররা আরো জানায়, আমরা গরীব ঘরের ছাত্র দেখে আমাদের স্থান হয়েছে এমিত খানায়। আর যারা ধনি বংশে জম্ম নিয়েছে তারা চলে গাড়িতে খাচ্ছে তিন বেলাই পোলাউ মাংস বিরানী। কিন্তু আমাদের এতিম খানায় এতিমের জন্য মাসে বছরেরও এক বার পোলাউ মাংস কপালে থাকছে না। ঈদ যায় কোরবানী যায় কিন্তু আমাদের গায়ে থাকে পুরান কাপড়। যার বাবা মা আছে তারা একটা না একটা নতুন পোষাক পরে। আমাদের বাবা ও মা না থাকার কারনে আমাদের গায়ে উঠেনা নতুন পোষাক। মাদ্রাসায় কেউ যদি মাছ ও মাংস দান করে তাথলে আমাদের ছাত্রদের কপালে ভাগে পরে।

মাদ্রারায় গিয়ে জানা গেছে, কয়েক জন এতিম শিশুর জীবন কাহিনীর গল্প। দেখা গেছে কি ভাবে তাদের জীবন কাটাচ্ছে মাদ্রারায়।

এতিম শিশু মোহন জানায়, আমার বাবা মা কেউই এই পৃথিবীতে বেঁচে নেই, শুধু রয়েছে নানু তাই আমার ঠিকানা হয়েছে এতিম খানায়। মা-বাবা বেঁচে থাকলে নতুন পোষাক ও ভালো খাবার দিতেন আমাকে। নেই বলে তিন বেলার খাবারও জুটেনা আমার মত আনেক এতিম শিশুর।

মাদ্রাসার পরিচালক ফিরোজী সাহেব জানায়, দ্বীন দরদী ভাই বোনদের খেদমতে এই যে মাদ্রাসায় চাল,কাপর,অর্থ , যাকাত, ফিৎরা,মান্নত, কোরবানীর চামরা দান করলে ছাত্রদের নিয়ে মাদ্রাসাটি চলাতে বেশি একটা সমস্যা হয়ে দারাতো না। কিন্তু কোন ব্যাক্তি এই এতিম শিশু গুলোর দিকে একটু নজর অথবা অর্থের সহযোগীতা করছেনা এবং কি মাদ্রাসার নিজস্ব কোন জমি নেই। প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকার ভাড়া দিতে হচ্ছে। কোন ব্যাক্তি মাদ্রাসার জন্য ২ শতাংশ জমি দান করলে শতাধিত এতিম শিশুর নিদিষ্ট থাকার স্থান হত।

তিনি আরো জানায়,দানশীল ব্যক্তিরা এই মাদ্রাসার এতিম গরীব ছাত্রদের মুখে দিকে তাকিয়ে একটু দান করেন। কোরবানীতে এতিম ছাত্রদের খাবার ,কাপড়, অর্থ দিয়ে সকলের সহযোগীতা একান্তভাবে কাম্য। সহযোগীতা করার জন্য যোগাযোগ করুন মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইল নাম্বার: ০১৭৬২-১০০৫৩১ ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন