শিরোনাম :

বরিশাল কির্ত্তনখোলা নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে নৌবন্ধন কর্মসূচি পালন


বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭, ০৩:০৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বরিশাল কির্ত্তনখোলা নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে নৌবন্ধন কর্মসূচি পালন

 বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল সদর উপজেলার ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়ন কির্ত্তনখোলা নদীতে চরকাউয়া খেয়া ঘাট হইতে জনতার হাট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার শহর রক্ষা বাধ ফেজ(৪) এর পূর্ন বাস্তবায়ন সহ ভাস্তভিটা হারা ও নদী ভাঙ্গনীদের পূর্ন বাসনের দাবীতে নৌ বন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে র্পর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদ।


আজ বেলা বারটায় কির্ত্তন খোলা নদীর অপর প্রান্তের চরকাউয়া খেয়া ঘাট কির্ত্তন খোলা নদীতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের আহবায়ক বরিশাল জেলা পরিষদ সদস্য মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি’র সভাপতিত্বে নৌ বন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও কোতয়ালী আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ মনিরুল ইসলাম ছবি,আলহাজ কেরামত আলি হাওলাদার,ইউপি সদস্য এনামুল হক সাগর,পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদ সচিব মোঃ মানিক মৃধা,ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম লিটু তালুকদার,ইকবালুর রহমান বাবুল খা, চরকাউয়া ইউপি সদস্য আঃ হালিম মুন্সি, প্রাক্তন ইউপি সদস্য মোঃ বাদল হোসেন,সংরক্ষিত ইউপি সদস্য ফিরোজা বেগম, চরকাউয়া বাস মালিক সমিতির সদস্য শাহাদৎ হোসেন হাওলাদার,উন্নয়ন পরিষদ সদস্য সেলিম হাওলাদার,চরকাউয়া মাঝি-মাল্লা সমিতির সভাপতি ওমর আলি,চরকাউয়া ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আঃ মালেক হাওলাদার,সাধারন সম্পাদক মোঃ বারেক হাওলাদার,

নৌ-বন্ধনে চেয়ারম্যান আলহাজ মনিরুল ইসলাম ছবি সহ একাধিক বক্তরা বলেন বেশ কয়েক বছর ধরে কির্ত্তনখোলা নদীর কড়াল গ্রাসের মুখে নদী গর্ভে বিলীন হয়েগেছে চরকাউয়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার একর জমি সহ কয়েক শত বাড়ি-ঘড়।

এখনো কির্ত্তনখোলা নদীর হুমকির মুখে রয়েছে চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন,ঐতিহ্যবাহী চরকাউয়া আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা,তোফায়েল আহম্মেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,সরকারী প্রাইমারী স্কুল,কমিউনিটি ক্লিনিক হসপিটাল সহ হাজার হাজার মানুষের চলার পথ।

এছাড়াও কির্ত্তনখোলা নদীর ভাঙ্গন এখনো যে ভাবে অব্যাহত রয়েছে আগামীতে শহীদ আঃ রব সেরনিয়াত সেতু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সহ অন্যান্য গুরুত্ব পূর্ন প্রতিষ্ঠন নদী ভাঙ্গনের শিকার হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে তারা দাবী করেন।

অভিলম্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ চরকাউয়া এলাকার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তি কিলোমিটার স্থায়ী ভাবে বাধ নির্মানের দাবী জানান।

তারা আরো বলেন ইতি মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড “বাংলাদেশের নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পের (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে যার স্বারক নং-টি ২৯/১৯২৭,তাং ১৭-১২-১৫ইং।

কিন্তু অজ্ঞাত কারনে আজ পর্যন্ত রহস্য জনক কারনে উক্ত স্কিমের কোন বাস্তবায়ন না হওয়ার কারনে দিন দিন কির্ত্তনখোলার কড়াল গ্রাসে চরকাউয়া ইউনিয়নটি বরিশালের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে।

,নৌ-বন্ধনের মাধ্যমে বক্তারা বলেন শিঘ্রই নদী ভঙ্গন বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন ব্যাবস্থা গ্রহন না করে তাহলে পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদ জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারক লিপি প্রদান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও,দক্ষিনাঞ্চলীয় উন্নয়ন রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসনাত আবদুল্লা’র সাথে সাক্ষাৎ সহ নগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার কর্মসুচি ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য ১৯৯৬-৯৭ থেকে ২০০৭ সালের তত্বাবধায়ক সরকারের সময় পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধে ৫ কোটি টাকা ব্যায় করা হয়েছে সেই স্থান এখনো অখ্যাত রয়েছে।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন