শিরোনাম :

পিরোজপুরে ডাক্তারের বিরুদ্ধে রোগীকে ওটি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ


রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৪:৪৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

পিরোজপুরে ডাক্তারের বিরুদ্ধে রোগীকে ওটি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

পিরোজপুর প্রতিনিধি: নিজের প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী ভর্তি না হওয়ায় পিরোজপুরে ডাক্তারের বিরুদ্ধে মুমূর্ষু গর্ভবতী মহিলাকে সিজার না করানোর অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৩ ডিসেম্বর বুধবার পিরোজপুর মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সিনথিয়া ইসলাম জানান, আমার গর্ভে সন্তান আসার পরপর ডাক্তার হংসুপতি সিকদার ( MCH - FP) MCWC সদর পিরোজপুর এর চিকিৎসাধীন থাকি।

তিনি আরো বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরামর্শের জন্য সিনথিয়া ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি তার প্রাইভেট ক্লিনিকে যাওয়ার কথা বলেন। এবং সেখানে সিজার করানোর জন্য বলেন। কিন্তু আমার মা পিরোজপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের একজন স্টাফ।

MCWC এর MO( ক্লিনিক ) ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন এর কাছে আমার মা আমার সেবার জন্য ছুটি চাইলে তিনি MCWC তে ভর্তি হতে বলেন। পরের দিন সকালে ১৩ ডিসেম্বর সকাল ৯ টার দিকে পিরোজপুর মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে ভর্তি হই। ভর্তির সাথে সাথে অামাকে সেলাইন ও ইনজেকশন দেওয়া হয় ক্যাথেটার পরানো হয় এবং ডাঃ মো. ইকবাল হোসেন এর অনুমতিতে সিজার এর জন্য ওটি টেবিলে নেওয়া হয়। এর পর ডাঃ হংসুপতি সিকদার ও ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন ওটিতে ঢোকেন।

ডাঃ হংসুপতি সিকদার আমাকে দেখা মাএই তার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে সিজার করতে যায়নি বলে তিনি রেগে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং ওটি টেবিল থেকে নামিয়ে দেন। আয়াকে দিয়ে ক্যাথেটার খুলে ফেলেন। এবং আমার সিজার হবেনা বলে দেন।

এসময় ভুক্তভোগী রোগী জানান, ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন সে সময় আরো বলেন, সে এনেসস্তাসিয়া দেবেন না বিধায় তিনি সিজার করতে পারবেন না। তখন আমি আতঙ্কিত হই এবং অসুস্থ হয়ে পরি। তখন মত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে থাকি। এমতাবস্তায় আমাকে বের করে দেয়া হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অন্য ক্লিনিকে সিজার করি। ওই মুহূর্তে সিজার না হলে আজ হয়তবা আমি আপনাদেরকে ঘটনাটা জানাতে পারতাম না। ওই সময়টা মনে উঠলে এখন ও আতংকিত হয়ে সিউরে উঠি।

সিনথিয়া ইসলাম জানান, আমার মা এই ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মচারী হওয়া সত্তেও তার প্রাইভেট ক্লিনিক এর সার্থের জন্য সে আমাকে যেভাবে ভোগালেন এতটুকু তার সহানুভূতি হলনা। তাহলে অন্য গর্ভবতী মায়েদের সাথে তিনি কি করেন।এরকম আরও অনেক গরীব গর্ভবতী মায়েদের জিম্মি করে টাকার লোভে তার ক্লিনিকে পাঠায়।

জানা গেছে, বিলপরিশোধ না করতে পারলে তাদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করে ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে গরু, ছাগল, হাস, মুরগী বিক্রি করে বিল পরিোশোধ করে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন