শিরোনাম :

আন্দোলনের মুখে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি কার্যক্রম


সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আন্দোলনের মুখে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি কার্যক্রম

বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১ হাজার ৪ শত কর্মকর্তা কর্মচারীদে ৫ মাসের বকেয়া বেতন আদায়ের দাবীতে আন্দোলনরত ও কমর্ কর্তা কর্মচারীদের কর্ম বিরতির ফলে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি’র কার্যক্রম।

মেয়র আহসান হাবীব কামালের পক্ষ থেকে আরোদালনরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে সমজোতার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকাদার ও কাউন্সিলর হাবীবুর রহমান টিপু।

কর্মচারীরা জানিয়ে দেন এবারের আন্দোলনে তারা বকেয়া বেতন না নিয়ে কাজে যোগদান করবেন না।তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকার পাশাপাশি কর্মবিরতি আরো দীর্ঘ হবে বলে জানিয়ে দেন আন্দোলনরত নেতা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ নগর ভবন শাখার সম্পাদক দীপক লাল মৃধা।

আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগর ভবনের দোতলায় বসে দুই কাউন্সিলর কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে বৈঠক করতে দেখা যায় তারা আন্দোলন করে নগর ভবন অচল করে দিয়ে টাকার সমাধান হবেনা বলেন।

কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার ও হাবীবুর রহমান টিপু তাদেরকে তালা মারা কক্ষ খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং এসময়ের মধ্যে তাদের বকেয়া টাকা পরিশোধ করে দেওয়া হবে বলে তারা মেয়রে সাথে কথার মাধ্যমে সকলের সমস্যা মিঠিয়ে ফেলার কথা বলেন।

এবার আর কোন কথা আর আশ্বাষের বানী শুনতে নারাজ আন্দোলনকারীরা তাদের একটাই দাবী বকেয় বেতন ছাড়া কাজে অংশ নেবে না।
এসময় কর্মচারীদের উর্দেশ্যে দিপক লাল মৃধা বলেন আমাদের আন্দোলনের কারনে নগরে চলাচলের ক্ষেত্রে নগরবাশীর কোন দূর্ভোগের কারন হয়ে দাড়ায় সেদিকে লক্ষ রেখে বাহিরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঠিক রাখার কথা বলেন।

রবি ও আজ সোমবার দুইদিন ব্যাপি বিসিসিতে কর্মচারীদের আন্দোলনের কারনের নগর ভবনের প্রশাসনিক দপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরের চেয়ার টেবিলগুলো কর্মকতা কর্মচারীদের অভাবে এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে অপরদিকে দেখা যায় মহিলা কর্মচারীরা তাদের কক্ষে মাথা হেলান দিয়ে ঘুমোচ্ছে আবার মোবাইল নিয়ে ব্যাস্থতার মধ্যে রয়েছে।

নগর ভবন ঘুরে দেখা যায় মেয়র আহসান হাবীব কামাল, নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান সচিব ইসরাইল হোসেনে দপ্তরগুলো বন্ধ হয়ে রয়েছে।আন্দোলনকারীকারী জানান আগামীকাল থেকে তারা তাদের কর্মবিরতির সময় আরো বাড়িয়ে সকাল ১০ টা থেকে ত টা পর্যন্ত অব্যাহত করা হবে। এছাড়া তাদের বকেয়া বেতন ছাড়া হিসাব শাখার কক্ষের তালা খোলা হবেনা। আমরা গত ৩ বছরে এই নিয়ে ১০বার আন্দোলন করতে হয়েছে।আমরা আর আন্দোলন করতে চাইনা চাই আমাদের বকেয়া বেতন।

এব্যাপারে কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার বলেন বলেন এসময়ের মধ্যে এত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বকেয়া মিঠাতে প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার প্রয়োজন রয়েছে এইমুহুর্তে নগর ভবনের হিসাব শাখায় অর্থ সংকট রয়েছে তাই আলোচনার মাধ্যমে ও কাজের মাঝে ওদের বকেয়া পরিশোধ করার চিন্তা ভাবনা চলছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন