শিরোনাম :

বরিশালে যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম


বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮, ০৬:২০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বরিশাল প্রতিনিধি: চাঁদাবাজির ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্যর কাছে বিচার দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রকাশ্যে চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও হত্যা মামলার আসামি কর্তৃক যুবদল সভাপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

মুমূর্ষ অবস্থায় আহতকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সভাপতি সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন দীর্ঘদিন থেকে দুরপাল্লার বিএনএফ পরিবহনের গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডের কাউন্টার পরিচালনার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

সম্প্রতি সময় থেকে প্রতিদিন স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামি উত্তর পালরদী গ্রামের বাসিন্দা আতিক মিয়া, তার সহদর সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আরিফ মিয়া ও মাদক বিক্রেতা জিহাদ মিয়া ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় প্রভাবশালী এক নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে জোরপূর্বক ওই কাউন্টার থেকে টাকা পয়সা নিয়ে যায়। এতে চরম আর্থিক সংকটে পরেন যুবদল সভাপতি সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন ও কাউন্টারের অন্যান্য শ্রমিকরা।

উপায়অন্তুর না পেয়ে যুবদল নেতা বুধবার রাতে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে অবহিত করেন। তিনি (সাংসদ) কাউন্টার থেকে একটি টাকাও কাউকে চাঁদা না দেয়ার জন্য যুবদল নেতাকে বলেন। সাংসদের আশ্বাসে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে কাউন্টারে আসেন যুবদল সভাপতি শরীফ স্বপন।

এসময় উল্লেখিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ তিন সহদরসহ তাদের ১০/১২ জন সহযোগীরা কাউন্টারে এসে সাংসদের কাছে বিচার দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে যুবদল সভাপতিকে ধারালো চাপাতি দিয়ে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলায় যুবদল সভাপতির কয়েকটি দাঁত পরে যায়।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পূর্বেই হামলাকারী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মুর্মুর্ষ অবস্থায় যুবদল সভাপতিকে উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী হাসপাতালে ও তাৎক্ষনিক মুর্মুর্ষ অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মোঃ মুনিরুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় আহতর বোন নাজমা বেগম বাদি হয়ে আতিক মিয়া, আরিফ মিয়া ও জিহাদ মিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে বলেও তিনি (ওসি) উল্লেখ করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন