শিরোনাম :

পটিয়ার আ.লীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ২০


বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০১৬, ০৮:০২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

পটিয়ার আ.লীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ২০

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে।

আ.লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এহসানুল হক প্রকাশ গ্রুপ ও উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহতরা হলেন মাসুম (২৫), আমির হোসেন (৫০), আমির হোসেনের পুত্র মোঃ মিজান (১৪), মোঃ মুছা (৫৫), জাকির হোসেন (৬৫), বুলু আকতার (৩৮), বাচ্চু আকতার (৩৫), মাসুম (২২), ভুট্টো (৪২), মাসুদ (২৮), লোকমান (২৮),এরশাদুল আলম (২৫), আহতদের ৬ জন গুলিবিদ্ধ বলে জানা গেছে।

দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় তিন সাংবাদিকের উপর হামলা চালিয়ে তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন।

তবে পটিয়া থানার এএসআই মোস্তফা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বিএনপির এক প্রার্থীর বাড়িতে বিকেলে পুলিশ অভিযানে গেলে ওই প্রার্থীর সমর্থকরা পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশও প্রতিরোধ করলে তারা পিছু হটে। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’

জানা গেছে শোভনদন্ডী ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আ.লীগের মধ্যে অন্ত:কোন্দল চলে আসছিল। গত ১০/১২দিন ধরে পুলিশ শোভনদন্ডী এলাকায় নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে আ.লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে হয়রানি করে।

দুপুর ১১টার দিকে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকডা. শাহাদাত হোসেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হাজী সামশুল আলমের ধানের শীষের সমর্থনে শোভনদন্ডী এলাকায় গণসংযোগ করেন। পরে পটিয়া থানা পুলিশ বেলা আড়াইটার সময় শোভনদন্ডী ইউনিয়নের মল্লপাড়ার আবাখানা এলাকায় এসে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে লোকমান ও মান্নান নামের দুই যুবককে আটক করে পুলিশ।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে বাধা দেয়। পরে পুলিশ শোভনদন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ মুছা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের ছোট ভাই এরশাদুল আলমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।

পুলিশ মুছা, এরশাদ, আবু ছালেহ মোঃ পারভেজ ও লোকমানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, সংর্ঘষের খবর পেয়ে তিনজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে নৌকার প্রার্থী এহসানুল হক দৈনিক ইত্তেফাক ও পূর্বকোণের পটিয়া প্রতিনিধি হারুনুর রশিদ সিদ্দিকীকে পুলিশের সামনে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে ও তার ক্যামেরা কেড়ে নেয়। এসময় তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে চট্টগ্রাম মঞ্চের প্রতিনিধি গোলাম কাদের ও দৈনিক পূর্বদেশ প্রতিনিধি রবিউল হোসেনের উপর হামলা চালায়।

এদিকে সিনিয়র হারুনুর রশিদ সিদ্দিকীসহ তিনজন সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে পটিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোবাইলে বারবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এসএ

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন