শিরোনাম :

কক্সবাজারে মৎস্যঘের কর্মচারী অপহরণ, মাছ লুট


রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৭, ০১:১৬ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

কক্সবাজারে মৎস্যঘের কর্মচারী অপহরণ, মাছ লুট

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বহলতলীঘোনা এলাকা থেকে কলিম উল্লাহ (২৮) নামক মৎস্যঘের কর্মচারী অপহরণ করেছে সশস্ত্র দস্যুরা। এ সময় লুট করেছে অন্তত দুই লাখ টাকার মাছ। তবে, নদী সাতরিয়ে ৫ কর্মচারী কোন রকম পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত দশটার দিকে ‘লালগুলাব্রীজ’ নামক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অপহৃত কর্মচারী কোন অবস্থায় আছে তার কোন হদিস মেলেনি।

দস্যুদের কবল থেকে ফিরে আসা মিছবাহ নামের কর্মচারী মুঠোফোনে জানায়, ঘের থেকে অহরিত বোটভর্তি মাছ নিয়ে খুটাখালী বাজারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে সশস্ত্র ডাকাতদল তাদের জিম্মি করে ফেলে। এরপর এলোপাতাড়ী মারধর করতে থাকে।

এ সময় তিনিসহ ৫ জন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাতরিয়ে কোন রকম পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবে, তাদের সাথে থাকা অপর কর্মচারী কলিম উল্লাহসহ অন্তত দুই লাখ টাকার মাছভর্তি ট্রলার লুট করেছে স্বশস্ত্র দস্যুরা। লুটের ঘটনায় ঘের মালিক ও স্থানীয়দের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মাছ লুট ও ঘের কর্মচারী অপহরণের খবর তিনি শুনেননি। এরপরও খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে, বহলতলী নামের কোন এলাকা চকরিয়া থানায় আছে কিনা- তা নিজের কাছে জানা নাই বলে জানান ওসি বখতিয়ার।

উল্লেখ্য, এর আগেও অনেকবার বহলতলী-চিলখালী এলাকায় ডাকাতি, লুটের ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের গুলিতে মারা যায় একজন ঘের মালিক। ধরা পড়ে কয়েকজন বার্মাইয়া ডাকাত। স্থানীয়রা মনে করছেন, চিহ্নিত ডাকাত ও সন্ত্রাসী এসব ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। নেপথ্যে রয়েছে একটি দখলবাজচক্র। প্রশাসনের দূর্বলতার সুযোগে চক্রটি দিনদিন বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অবেদনও করে ঘের মালিকরা। দস্যুতারোধে থানা পুলিশের ভূমিকাকে রহস্যঘেরা মনে করছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

আইকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন