শিরোনাম :

কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩


শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০১৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

ডেস্ক প্রতিবেদন: রাজধানীসহ পৃথক তিন জায়গায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার ভোরে কদমতলী এলাকার ওয়াসার সামনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

এ ছাড়া র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ৫১০ পিস ইয়াবা ও ১৪টি প্যাথোডিন নামক নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মার্গে রাখা হয়েছে।

এদিকে, সুন্দরবনের খড়খড়িয়া নদীর তীরে বন্দুকযুদ্ধে আনারুল সানা (৪৪) নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোররাতে খুলনার কয়রা থানা পুলিশের সাথে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৩ জন কনস্টেবল আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ৫টি কার্তুজ ও ২টি দেশিয় দা উদ্ধার করেছে। নিহত আনারুল সুন্দরবনের জোনাব বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শমসের আলী এ বন্দুকযুদ্ধেও ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়রা থেকে দস্যু আনারুল সানাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় গভীর সুন্দরবনে তার সহযোীরা অস্ত্রসস্ত্রসহ অবস্থান করছে। এ তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ তাকে নিয়ে অভিযানে বের হয়। রাত ৪টার দিকে সুন্দরবনের খড়খড়িয়া নদীর দক্ষিণ পাড়ে যায় এবং বনের মধ্যে প্রবেশ করে। এ সময় দস্যুরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি শুরু করে। ১৫-২০ মিনিট এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে দস্যুরা পিছু হটে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দস্যু আনারুলকে উদ্ধার করা হয়। এ বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশের ৩ কনস্টেবল আহত হয়। আহতদের কয়রা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দস্যু আনারুলকে মৃত ঘোষণা করে। আহত ৩ পুলিশকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। তারা হচ্ছেন: আমিনুর, জাহিদুল ইসলাম ও শাহ আলম। ওসি জানান, নিহত আনারুল সানা কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের জিহাদ আলী সানার পুত্র। আনারুলের নামে ১টি খুন, অস্ত্র আইনে ২টি, ডাকাতির ঘটনায় ৬টিসহ ১০টি মামলা রয়েছে। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানার এস আই শেখ গোলাম আজম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডে র‍্যাবের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' এক ডাকাত নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ সময় র‍্যাবের দুই সদস্যও আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি জব্দ করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত এক টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ফলসি বটতলা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত ডাকাতের নাম শহিদুল ইসলাম পচা (৪৩)। তিনি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পারদখলপুর গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে।

র‍্যাবে-৬ এর ঝিনাইদহ কোম্পানি কমান্ডার মনির আহমেদ জানান, ওই এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন একদল ডাকাত। এ সময় র‍্যাবের টহল গাড়ি সেখানে গেলে গুলি ছোড়ে ডাকাতরা। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে শহিদুল ইসলাম পচা নিহত হন। অন্য ডাকাতেরা পালিয়ে যান।

তিনি জানান, এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটার গান ও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করে র‍্যাব। র‍্যাবের দুই সদস্য এ ঘটনায় আহত হলেও তাদের নাম জানা যায়নি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন