শিরোনাম :

ভারতের মণিপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা


মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭, ০২:৩৯ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ভারতের মণিপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা

ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশ ভূখণ্ড প্রায় অতিক্রম করা শুরু করেছে। বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে এটি ইতোমধ্যে উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে ভারতের মণিপুর রাজ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে ইতোমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় মোরা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। তবে এখনও কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনসহ আশেপাশের এলাকায় প্রবলবেগে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এর আগে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মোরা। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অঞ্চল অতিক্রম করার সময় বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি।

মোরার ফলে কক্সবাজারের মহেশখালী ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ দুটি একেবারে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যেই এই দ্বীপ অঞ্চল দুটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

মোরায় কক্সবাজারের মহেশখালীর অবস্থা একেবারে নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গণপ্রতিনিধিগণ। বর্তমানে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে মহেশখালী দ্বীপে।

গতকাল রাত থেকেই দ্বীপের বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন রাস্তায় চলমান গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে আছে বলে জানা গেছে। এছাড়া দ্বীপের ধলঘাটা, মাতারবাড়ি, সোনাদিয়া ও তাজিয়াকাটা এলাকা জলোচ্ছ্বাসে পুরোপুরি তলিয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হলেও এখনও কিছু মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় আছেন। ঝড় শেষ না হলে তাদের অবস্থা সম্পর্কে বলা যাবে না।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোরার কারণে সেন্টমার্টিনেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই ওই দ্বীপ অঞ্চলটিতে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিনের বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ওয়াসিম জানান, দ্বীপের একটি ১০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তবে সেখানে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থাই নেই।

এছাড়া দ্বীপের সেনচুর, অবকাশ, ব্লু-মেরিন হোটেল, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ও আবহাওয়া অফিসে আশ্রয় নিয়েছে চার-পাঁচ হাজার মানুষ। এগুলির কোনোটিতেই পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নেই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন