শিরোনাম :

আনন্দ শোভাযাত্রার সবার গন্তব্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান


শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭, ০৪:১০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আনন্দ শোভাযাত্রার সবার গন্তব্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

একাত্তরের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া সেই ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির রাষ্ট্রীয় উদযাপনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বিকেল তিনটার কিছু আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়।

এর আগে ধানমন্ডিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এই উদযাপন শুরু হয়।

প্রথমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মূখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক খান, এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হকসহ সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা ।

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর হয়ে পুরো মিরপুর রোড এখন লোকে লোকারণ্য। ছোট ছোট মিছিল মিলে তৈরি হয়েছে বিরাট শোভাযাত্রা। হাজার হাজার মানুষ নানা ধরনের ব্যানার নিয়ে শামিল হয়েছেন সেই মিছিলে। সবার গন্তব্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ভাষণ। আর সম্প্রতি জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো সেই ভাষণকে দিয়েছে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যে’র স্বীকৃতি।

আর এই স্বীকৃতি পাওয়াকেই আজ ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে উদযাপন করা হচ্ছে।

শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট ছোট মিছিল এসে জড়ো হয় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এলাকার আশপাশে। পরে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটি সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর শুরু হয় শোভাযাত্রা।

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর থেকে শুরু হওয়া এই আনন্দ শোভাযাত্রা মিরপুর রোডের রাসেল স্কয়ার ক্রসিং হয়ে কলাবাগান দিয়ে সায়েন্স ল্যাব থেকে বামে মোড় নেবে। সেখান থেকে বাটা সিগন্যাল ও কাঁটাবন ক্রসিং পেরিয়ে শাহবাগ হয়ে ডানে মোড় নিয়ে ছবির হাট হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়ে শেষ হবে শোভাযাত্রাটি।

দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিক, সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, ক্রীড়াবিদ, এনজিওকর্মী, স্কাউট সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেবেন।

শোভাযাত্রাটির রুট ম্যাপ দেখে নগরবাসীকে চলাচল করতে ও ট্রাফিক বিভাগকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন