শিরোনাম :

শারিকা ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ডে অটিস্টিকদের শীতবস্ত্র দিলেন তথ্যমন্ত্রী


শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

শারিকা ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ডে অটিস্টিকদের শীতবস্ত্র দিলেন তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা: ধনী, গরিব, সুস্থ, অসুস্থ, সকল মানুষ মহান আল্লাহ তৈরি করেছেন। ধনীব্যক্তির যেমন মন রয়েছে, তেমনি গরীব মানুষটির একই মন। সুস্থ সবল মানুষেরা যেমন আনন্দ উপভোগ করে প্রশান্তি অনুভব করে তেমনি অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধীদের প্রশান্তি ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখলে যে কারো মন ভরে যাবে। বিশ্বে শিশুদের আনন্দ প্রকাশের ভংগিমাটা ভিন্নরকম। তা দেখলে যে কেউর মন ভরে উঠবে।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অভ্যন্তরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ এর সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের নির্মিত শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র শারিকা ফ্যান্টাসি ইমাজিং ওয়ার্ল্ড পরিদর্শনে যান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সেখানে গিয়ে মন্ত্রী অভিভূত হন বিশেষ শিশুদের বিনামূল্যে বিনোদন উপভোগ করতে দেখে। প্রতিবন্ধী শিশুদের আনন্দ তাদের চোখেও উচ্ছ্বাস করতে দেখে মন্ত্রী আবেগ আপলুত হয়ে পড়েন।

পড়ে মন্ত্রী ‘আমাদের অধিকার পত্রে পক্ষ থেকে অটিস্টিকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আমি এই প্রথম আসলাম। পত্রিকাতে পড়ে জানতে পেলাম প্রধান মন্ত্রী তনয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের অনুপ্রেরণায় এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট এ বিশেষ শিশু তথা অটিস্টিকদের বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটু অবাক হচ্ছিলাম এতবড় একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে মধ্যে কিভাবে এটা সম্ভব! তাই কিছুটা কৌতূহল হয়ে এবং বিশেষ শিশুদের প্রতি একটা টানের কারণে আমি পলাশের এ পার্কে কিভাবে অটিস্টিক শিশুরা বিনামূল্যে বিনোদন উপভোগ করে তা দেখতে এলাম। এতোবড় একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে এই বিশেষ শিশুদের নিয়ে কাজ করা গর্বের বিষয়, আমি আশাকরি পালাশের এ মহতি উদ্যোগ দেখে যেন সমাজের সবাই এদের প্রতি সদয় হয়।’

শারিকা ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ডে অটিস্টিকদের শীতবস্ত্র দিলেন হাছান মাহমুদ

বিনামূল্যে প্রদান করেন না বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করে থাকে যেমন সামর্থ্য অনুযায়ী প্রদান করে বই, খাতা, কলম, দুপুরের খাবার, আজকে দুইটি প্রতিষ্ঠানের ১১০ জন শিশু কিশোরদের মাঝে ‘অধিকার পত্রের’ পক্ষ থেকে চাদর পরিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা জানতে পেরেছেন, এখানে একটি পার্কে অটিজম শিশুদের বিনামূল্যে বিভিন্ন রাইডে চড়তে দেয়া হয়। যেখানে অন্য স্থানে অটিজম ও প্রতিবন্ধী শিশুদের রাইডে উঠায় বারণ। তাই তারা সেই পার্কের দিকেই যাচ্ছেন।

পার্কটির প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুর রহমান পলাশ জানান, ‘শিশুদের নির্মল হাসিই তার প্রেরণা। পার্কে অটিজম ও প্রতিবন্ধী শিশুদের ফ্রি রাইডে চড়ানো হয় তা আগে অনেকেই জানতেন না। ধীরে ধীরে প্রচার প্রচারণার কারণে অনেকেই জানতে পেরে আসছেন এখানে। অটিজম শিশুরা অন্যান্য শিশুর মতো বিনোদনের সুযোগ পায় না বলেই তাদের জন্য এই সুযোগ করে দিয়েছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন