শিরোনাম :

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ১২০০ রোগী স্থানান্তর করেছে অ্যাম্বুলেন্স


রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:৫৯ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ১২০০ রোগী স্থানান্তর করেছে অ্যাম্বুলেন্স

ঢাকা: রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বৃহস্পতিবার একটি বিল্ডিংয়ে আগুন দেখে হাসপাতালের একজন স্টাফ জানায়, জরুরিভিত্তিতে অনেক অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন।

বিষয়টি সত্যতা যাচাইয়ে জন্য ৯৯৯ এর সঙ্গে কথা বলা হয়। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দুর্যোগ মোকাবেলায় সংগঠনের পক্ষ থেকে রোগী স্থানান্তরের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের সহযোগিতা কামনা করে।

ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড দেশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর স্টেক হোল্ডার। সমিতির পক্ষ থেকে শেরেবাংলা নগরে তাৎক্ষনিক প্রায় ৮০/৯০টি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

পরবর্তীতে ঢাকা মেডিক্যাল এলাকাসহ গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর ও অন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে আরও প্রায় ২০০টি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স রোগী উদ্ধার ও স্থানান্তরের কাজে যোগ দেয়।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রায় ১২০০’শ রোগীর বেশিরভাগই বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করে এই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স। রাত আনুমানিক সোয়া আটটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও রোগী স্থানান্তরের কাজ চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।

বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের সংগঠন, ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির পক্ষে সভাপতি আলমগীর হোসেন ৯৯৯ এর স্টেক হোল্ডার মিটিং এ পুলিশ মহাপরিদর্শক মহোদয়ের কাছে লিখিতভাবে জানিয়ে ছিলেন দেশের দুর্যোগ মোকাবেলায় সংগঠন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করবে।

যদিও কোনো দুর্ঘটনাই কাম্য নয়, তবে সংগঠনের পক্ষে করা সম্ভব সেটা এই কাজের মাধ্যমে সাক্ষী রেখেছে। কোন ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া রোগী উদ্ধার ও স্থানান্তরের কাজ সঠিকভাবে করতে পারায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংগঠনের প্রতি ‘হ্যাটস অফ’ জানায়।

সভাপতি আলমগীর হোসেন জানান, অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের ওপর এখনো কোন নীতিমালা হয় নাই। ফলে নিয়মিত মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিস্তারিত লিখিতভাবে দেয়া আছে।

তবে এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয় নাই। এভাবে চলতে থাকলে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ীরা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবসা থেকে নিরুসাহিত হয়ে উঠবে।

দেশে সরকারিভাবে যে পরিমাণ অ্যাম্বুলেন্স থাকা প্রয়োজন তা নেই। ফলে এই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের দিকে সরকারের বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন। সেই সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের বাধা বিপত্তি দূর করে বেসরকারি মালিকদের এই পেশায় আগ্রহ করার পদক্ষেপ নেয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।

যাতে এ জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর সব সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, সংবাদ কর্মী, ডাক্তার, হাসপাতাল কর্মী, স্থানীয় ছাত্র সমাজ, রাজনৈতিক, অ্যাম্বুলেন্স মালিক চালকসহ সব ধরনের উদ্ধার সংশ্লিষ্টদের প্রতি সমিতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন