শিরোনাম :
   প্রধান বিচারপতির সরে যাওয়া উচিত ছিল : প্রধানমন্ত্রী    নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক    কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আজ সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)    কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ    ১৯ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ১০ বছরের স্বশ্রম কারাদন্ড    বরিশালে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প    গৃহবধূকে নির্যাতনের পর তালাবদ্ধ করে রেখেছে পাষন্ড স্বামী    বরিশালে র‌্যাবের ভূয়া মেজর আটক    বিসিসিতে পশু কোরবানীর জন্য ১৭৪ স্থান নির্ধারণ

আবগারি শুল্কের নাম পরিবর্তন করা হবে: অর্থমন্ত্রী


রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭, ০৫:৩২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আবগারি শুল্কের নাম পরিবর্তন করা হবে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক প্রতিবেদন: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ব্যাংক আমানতের ফি’কে আবগারি শুল্ক বলা হচ্ছে, এটা মানানসই নাম নয়। এর নাম পরিবর্তন করে ইনকাম ট্যাক্সের আদলে নতুন নাম দেয়া হবে। এটা নিয়ে যখন এত কথা হচ্ছে, তখন বাজেট পাস করার সময় শুল্কের হার পরিবর্তন করা হবে।

রোববার সচিবালয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বার্ষিক পারফরমেন্স চুক্তি (এপিএ) শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আবগারি শুল্ক বহু বছর ধরেই আছে। সবাই দিয়েও যাচ্ছেন। এবারের বাজেটে হারটা একটু বেড়েছে। তবে সুযোগও বেড়েছে। আগে ২০ হাজার টাকা থাকলেই দিতে হতো। এবার আমরা একেবারে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছি। তারপরও এটা নিয়ে বাজারে খুবই সমালোচনা হচ্ছে। বাজেটে সমালোচনার জন্য যখন বেশি কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন তো কিছু বের করতে হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি ইতোমধ্যেই বলেছি যে বাজেট তো প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা যখন পাস হবে তখন অনেক কিছুতে পরিবর্তন হয়। বিশেষ করে এ ধরনের রেট ৮০০ হলো না ৫০০ হলো এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন হবে। তবে শুল্ক প্রস্তাব কতটা কমবে তা চলতি মাসের ২৮ তারিখের ভেতর জানা যাবে।

টাকা পাচারের বন্ধের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, কালো টাকা বাড়ছে বেশ কিছু আইন বা বিধির কারণে। তাই টাকা পাচার বন্ধে অর্থাৎ উৎস বন্ধে আইন বা বিধির সংস্কারসহ বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বিভিন্ন এলাকায় জমি দাম সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু সরকারের ঠিক করে দেয়া দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে জমি কেনাবেচা হয়। কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয় সরকারের নির্ধারিত মূল্যে। তাই এলাকাভিত্তিক নির্ধারিত মূল্য তুলে দিয়ে বাজার-ভিত্তিক করে দেয়া হবে।

গত ১ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এবারের বাজেটের আকার চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার। এবারের রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ আসবে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) থেকে। যদিও এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। এ বাজেটে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভ্যাট আইন। বহুল আলোচিত এই আইনে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ নির্ধারিত হবে। বাজেটে ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে ৮৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের মূল লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৫ হাজার ১২৩ কোটি টাকা বেশি।

আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার চলতি বাজেটের চেয়ে প্রায় ২৬ ভাগ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট তিন লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেট তিন লাখ ১৭ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে মোট জিডিপির ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। ৪৬তম এই বাজেট পাস হবে ২৯ জুন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন