শিরোনাম :

১১ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের চকলেট


রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

১১ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের চকলেট

ডেস্ক প্রতিবেদন: দেশের চকলেট শিল্পে মূলত ক্যান্ডি ও লজেন্স বেশি তৈরি হয়।চিনি, গ্লুকোজ ও গুড়া দুধ দিয়ে সেগুলো প্রস্তুত করা হয়। চকলেট তৈরি হয় কোকোয়া পাউডার দিয়ে।সম্প্রতি কোকোয়া পাউডার বাইরে থেকে আমাদিন করে চকলেটে তৈরি হচ্ছে দেশে।

চিনি গলিয়ে কাঠিতে এমন চকলেট ও লজেন্স তৈরির স্থানীয় প্রচলন অনেক আগে থেকেই।এখনো সেই বাজার ধরে রেখেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।সময়ের বিবর্তনে ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এসব হাতে তৈরি লজেন্স নগরের সামর্থবান ব্যক্তিদের মাঝে বাজার হারাতে বসলেও, গ্রামগঞ্জে এখনো এর চাহিদা প্রচুর।

হাতে তৈরি এসব দেশিয় লজেন্স ও চকলেট বহু দশক বাজার দখল করে রাখলেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত মানের চকলেট তৈরি শুরু হলে বাজারের একটি অংশ তারা হারাতে শুরু করে। সেগুলোর আছে নানা নাম-- মিল্ক ক্যান্ডি, ললিপপ, ম্যাংগো ক্যান্ডি। সেগুলোতে মূলত নাম অনুযায়ী সুগন্ধি ব্যবহার হয়।তবে দেশে এসবের বাজার এখনও আশানুরুপ বলে মনে করেন উদ্যাক্তারা।

দেশের চকলেট-লজেন্স ও ক্যান্ডি দেশীয় বাজার ছাড়িয়ে বিদেশে রফতানি হচ্ছে। ২০১১ সাল থেকে রফতানি শুরু। এখন ১১টি দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি চকলেট। শুরুতে ২০১১-১২ অর্থ বছরে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মত রফতানি হয়। এখন ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা।

বাড়ছে জনসখ্যা। বাড়ছে চকলেটের চাহিদা। মানসম্মত চকলেটের জন্য আমদানি নির্ভর না হয়ে দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার প্রতি তাগিদ দেন এই শিল্পের পর্যবেক্ষকরা।

দেশীয় চকলেটের বাজার সম্প্রসারণে বিশ্বমানের চকলেট তৈরি প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে এ শিল্পে প্রতিবন্ধকতাও আছে।দেশি শিল্প সুরক্ষায় ২০০৮-০৯ অর্থবছরেও চকলেট আমদানিতে শুল্ক ছিল ২০০ শতাংশ। তবে বিগত বছরগুলোতে তা ক্রমাগত কমে এখন ২০ শতাংশে নেমেছে। ফলে দেশের বাজারে আমদানিকৃত চকলেটের সাথে প্রতিযোগিতায় পারছে না এসব কোম্পানি। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় চকলেট শিল্পের বিকাশ।

বিদেশি চকলেট প্রভাব ফেলেছে স্থানীয় বাজারের সামর্থবান ভোক্তাদের ওপর। তারা বিদেশি চকলেটে বেশি আকৃষ্ট হওয়ার দেশি চকলেট সংগ্রাম করছে। এছাড়াও দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ চকলেট উৎপাদনের জন্য অনূকুলে নয় বলে সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা জানান। ফলে উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন