শিরোনাম :

চড়া দামে চাল কিনছে ক্রেতারা


শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭, ০২:০১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

চড়া দামে চাল কিনছে ক্রেতারা

ডেস্ক প্রতিবেদন: পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও এখনও চড়া দামে চাল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানী করা চাল কিছুটা কম দামে মিললেও দেশীয় বিভিন্ন ধরণের চাল বিক্রি হচ্ছে আগের চড়া দামেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বাজারের উপর সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ না থাকায় এমন পরিস্থিতি চলছে বলে জানিয়েছেন বাজার বিশে­ষকরা।

চলতি বছরের জানুয়ারী মাসেও মান ভেদে মোটা চাল বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৩৪ থেকে ৪০ টাকা।কিন্তু জুন মাস থেকে হাঠাৎ করেই চালের বাজার চড়া হতে শুরু করে।আর আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ টাকায়।একই অবস্থা চিকন চালের দামেও।এমন পরিস্থিতিতে সরকার চাল আমদানীর উপর আমদানী উপর শুল্ক বাধা শিথিল করে।

এতে আমদানী শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশে করা হলে পর্যাপ্ত পরিমান চাল আমদানী হয়।গত দু’মাসে ভারত ও মিয়ানমার থেকে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে চাল আমদানী হয়েছে ১৬ লাখ মেট্রিক টন। এতে মান ভেদে বিভিন্ন চালের দাম খুচরা ও পাইকারী পর্যায়ে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমলেও বাজার আগের অবস্থায় ফিরে আসে নি। এতে হতাশ ও ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

এদিকে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, যেসব চালের দাম কমেছে তা ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানীকরা নিম্নমানের।দেশীয় ভাল মানের মোটা ও চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতই চড়া দামে। আর এজন্য বরাবরের মত খুচরা ব্যবসায়ীরা আড়ৎদার ও মিলারদের আর আড়ৎদাররা দোষ চাপাচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীদের।

তবে, চালের বাজারে সরকারের নিয়ন্ত্রন না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে, বীজসহ অন্যান্য উপাদান যোগান দিতে না পারলে আগামী বছরও পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তির হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের। প্রতি বছর দেশে চালের চাহিদা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টন। যার বিপরীতে উৎপাদন চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত থাকে ২ থেকে ৩ লাখ মেট্রিক টন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন