শিরোনাম :

কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দর


শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দর

ডেস্ক প্রতিবেদন: সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দর। রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে প্রতি কেজি আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহেও কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেশিতে বিক্রি হয়েছে। তবে বর্তমানে পেঁয়াজের এ দরও তুলনামূলক বেশি।

ভারত সরকার পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য (এমইপি) প্রত্যাহার করেছে। গত মাসে রপ্তানি মূল্য টন প্রতি ৮৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৭০০ ডলার করা হয়। পরে ৩ ফেব্রুয়ারি রপ্তানি মূল্যসীমা প্রত্যাহার করে ভারত। তারপরও পেঁয়াজের দাম সেভাবে কমছে না। অথচ দেশের পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতার জন্য এতদিন ভারতের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বেঁধে দেওয়াকে দায়ী করছিলেন ব্যবসায়ীরা।
 
কাওরানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, আগের তুলনায় ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। এজন্য বাজারেও এখন পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো। শিগগির পেঁয়াজের দাম আরো কমবে। পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম কমেছে সবজির। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ২৫ থেকে ৪০ টাকা, শিম ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মুলা ১৫ টাকা, টমেটো ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা ও মটরশুঁটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ও ফুলকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
 
কাওরানবাজারের সবজি ব্যবসায়ী হেলাল বলেন, বাজারে এখন সবজির প্রচুর সরবরাহ। মাঝে তীব্র শীতের পাশাপাশি কুয়াশা বাড়ায় ক্ষেতেই অনেক সবজি নষ্ট হয়ে যায়। যে কারণে সবজির দাম বেড়ে যায়। কিন্তু এখন সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
 
এদিকে স্থিতিশীল রয়েছে মাছ ও মাংসের দাম। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি কাতল মাছ ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, রুই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, সিলভার কার্প ১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ও চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি গরুর মাংস ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, পাকিস্তানি লাল মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন