শিরোনাম :

নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে না


শনিবার, ২৬ মে ২০১৮, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে না

ঢাকা: পবিত্র রমজানকে ঘিরে বাজারে এখনও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারবারী বন্ধ হয়নি। তবে, রোজা শুরুর দিন থেকে সবজির দাম কিছু কমেছে। আর বেশির ভাগ নিত্যপণ্যই বিক্রি হচ্ছে আগের বর্ধিত দামে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কোথাও পাওয়া যায় না সরকার নির্ধারিত দাম গরু বা খাসির গোশত।

শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যের দামে ব্যবধান অনেক। কোনো কোনো পণ্য দ্বিগুণ দামেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। রোজার শুরুতে বেগুন, কাঁচামরিচ, শসা, লেবু, ধনেপাতাসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসবের দাম কিছুটা কমেছে।

বাজারে মূল্য তালিকা দেয়া থাকলেও সেই দামে কোনো পণ্যই কিনতে পারেন না ক্রেতারা। দামে সেঞ্চুরি হাকানো বেগুন এখন কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। এছাড়া, শসা ৬০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক, লালশাক, পালংশ শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫টা পর্যন্ত। তবে কোনো সবজিই ৫০ টাকার কমে মিলবে না বাজারে। দাম নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে গরু, মহিষ, খাসি ও ভেড়ার গোশতের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। রাজধানীর কোথাও মিলবে না ভেড়া ও মহিষের গোশত; যদিও প্রতি রাতেই ঢুকছে শত শত ভেড়া ও মহিষ। সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ভারতীয় গরুর গোশত প্রতিকেজি ৪২০ টাকা, মহিষের গোশত ৪২০ টাকা, খাসির গোশত ৭২০ টাকা এবং ভেড়া ও ছাগলের গোশত ৬০০ টাকা করে বেচাকেনা হওয়ার কথা ছিল। এই দাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন সব বাজার ছাড়াও সুপারশপগুলোর জন্যও প্রযোজ্য হবে। কিন্তু বাজারে বাস্তবতা ভিন্ন। এজন্য পশুর দাম বেশি হওয়া, ওজন কমে যাওয়াসহ নানা অজুহাত দাঁড় করিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মাছের বাজারেও নেই খুব একটা স্বস্তি। আগের মতোই বর্ধিত দাম বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ মাছ। যদিও সরবরাহ নিয়ে কোন সংকট নেই বাজারে। চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ বেশিরভাগ পণ্যই বিক্রি হচ্ছে আগের দাম।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন