শিরোনাম :
   ১০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিল কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ    গণমানুষের সংগঠনে রূপান্তর করতে মাঠে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ুন    উসমানের বোলিং তোপে ব্যাটিং বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কা    গৌরনদী ‍উপজেলায় শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়া প্রদর্শন    বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানী    শেষ হলো ইলিশ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা    উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু    বরিশালে জেলা আ. লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত    স্তন কর্তন, ধর্ষণ লজ্জাস্থানে কাঠ গুঁজে রোহিঙ্গা নারীদের রোমহর্ষক নির্যাতন     কিশোর বাতায়ন, এইচ ডি মিডিয়া ক্লাব ও বরিশাল ব্র্যান্ডিং বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে জনপ্রত্যাশা


রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে জনপ্রত্যাশা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-- শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রাচীন একটি দল। ১৯৪৭ সালে হঠকারী দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী রাষ্ট্র পাকিস্তান জন্মের পর থেকেই জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে যে কোন আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করতেই হবে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগই একমাত্র দল যাদের বর্ণাঢ্য অতীতের সঙ্গে দেশপ্রেমও প্রশ্নাতীত। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সুদীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দলটির সদর্প বিচরণ শুধু একটি দল হিসেবেই নয়, সংগ্রাম-আন্দোলন ও গণঅধিকার আদায়ে তৃণমূল থেকে শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত দলটির ভূমিকা অবিস্মরণীয়।

৬৭ বছরের প্রাচীন দলটির ২০তম কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্মরণকালের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দু’দিনব্যাপী দেশের সর্ববৃহৎ এই দলটির জাতীয় কাউন্সিল। সারা দেশ থেকে সাড়ে ছয় হাজার দলীয় কাউন্সিলর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হয়েছেন নিজেদের কথা বলতে এবং নিজেদের পছন্দমতো নেতৃত্ব বেছে নিতে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের সময় থেকেই দলটি ক্রমাগত প্রান্তিক মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতক কর্তৃক সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলটি আবার মূলধারায় ফিরে আসে। তাঁর অভূতপূর্ব নেতৃত্ব, একাগ্রতা ও দূরদর্শীতায় ক্রমাগত জনগণের মধ্যে দলের শেকড় আমূল প্রোথিত হচ্ছে এটা আমরা দৃঢ়ভাবে বলতেই পারি।

তাই দেশের অন্যান্য দলের চেয়ে এ দলটির প্রতি জনগণের প্রত্যাশা বেশি। জনগণ চায়, বাকি সব দলের মতো ক্ষমতার দম্ভে অসুর হয়ে উঠবে না আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, স্বজনপ্রীতি, প্রতিহিংসা, ক্ষমতার অপব্যবহার সহ নানামুখী অপকর্মে জর্জরিত দেশবাসী মুক্তি চায়। বরং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনমুখী কর্মকাণ্ডই প্রত্যাশা করে সবাই।

ইতিহাস বলছে, জনগণের দাবী আদায় ও পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে আওয়ামী নেতৃত্ব। আমরা আশা করবো, নতুন নেতৃত্ব যে-ই আসুক সে এই ধারা অক্ষুন্ন রাখবে এবং সত্যিকার অর্থেই জনপ্রতিনিধি হয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন