শিরোনাম :
   ১০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিল কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ    গণমানুষের সংগঠনে রূপান্তর করতে মাঠে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ুন    উসমানের বোলিং তোপে ব্যাটিং বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কা    গৌরনদী ‍উপজেলায় শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়া প্রদর্শন    বরিশালে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানী    শেষ হলো ইলিশ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা    উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু    বরিশালে জেলা আ. লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত    স্তন কর্তন, ধর্ষণ লজ্জাস্থানে কাঠ গুঁজে রোহিঙ্গা নারীদের রোমহর্ষক নির্যাতন     কিশোর বাতায়ন, এইচ ডি মিডিয়া ক্লাব ও বরিশাল ব্র্যান্ডিং বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

আ.লীগ নেতৃত্বের কাছে আমাদের প্রত্যাশা


বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৬, ০২:১৬ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আ.লীগ নেতৃত্বের কাছে আমাদের প্রত্যাশা

আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ'র সবচেয়ে বড় শক্তি কী? নিঃসন্দেহে তার লক্ষাধিক নিবেদিতপ্রাণ কর্মীবাহিনী। কথাটি স্বীকারও করেছেন দলটির সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। মূলতঃ, কর্মীদের আত্মত্যাগের উত্তরাধিকারের ওপর ভর করে দলটি দীর্ঘ ৬৭ বছর অতিক্রম করছে। জন্মকাল থেকেই আওয়ামী লীগ হয়ে উঠেছে এদেশের আপামর জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে তার আছে স্বতঃসিদ্ধ অঙ্গীকার। তাই শত প্রতিকূলতাও অতিক্রম করতে হয়েছে দলটিকে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কর্ণধার এবং আদর্শিক নেতা। গণমানুষের শিকড়ে শেখ মুজিবের বীরত্ব গাঁথা। তাঁর স্বপ্ন, নিরলস শ্রম, আপোষহীন মনোভাবেই এদেশের মানুষ বাঁশের লাঠি নিয়ে কামান-বন্দুকের সামনেও বুক পেতে দিতে দ্বিধা করেনি। আর এমন ঘটনা বারবার ঘটেছে দলটির ক্ষেত্রে, মুক্তিযুদ্ধ থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সর্বত্র।

শেখ মুজিব থেকে শেখ হাসিনা --বেশ লম্বা একটা সময়। এ সময়ে রাজনীতির পালাবদল কম হয়নি। বিচিত্র রাজনৈতিক আবহাওয়ায় আবর্তিত হয়ে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়েই এগিয়ে চলেছে দলটি।

যাঁরা এই রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাঁরাও বাংলার গ্রাম থেকে উঠে আসা নেতা-কর্মী। তাঁদের সততা প্রবাদতুল্য। তাঁরাও রাজনীতি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কোন ধরনের স্বার্থ ছাড়াই শুধুমাত্র নিঃশর্ত ভালোবাসায় বুকের মাঝে লালন করেছেন। স্রোতের বিপরীতে নৌকা বাইতে বাইতে ক্লান্ত মাল্লারাও থামেননি, বরং ছুটে গেছেন সামনের দিকে।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ দুটোই অনেক সম্মানিত নাম। স্বাধীনতা থেকে পদ্মা সেতু --প্রায় সব রাজনীতিতে শেখ হাসিনার সংগ্রামশীল সরব উপস্থিতির প্রকাশ। পিতার মতোই পরম মমতায় দেশ এবং মানুষের প্রতি নিজেকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন। রাষ্ট্রীয় পরিচালন ব্যবস্থায় যুগোপযোগী ভূমিকা রেখে উন্নয়নের পথ আবিষ্কার করেছেন। তাই তাঁর প্রতি জাতির প্রত্যাশা অনেক বেশি। বস্তুত, জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার অনিবার্য মূর্ত প্রতীক তিনি।

আওয়ামী লীগের এবারের জাতীয় সম্মেলনে এই মহান নেত্রী আবারও দলের সভাপতি হয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত দলীয় কাউন্সিলে দলীয় সাধারণ সম্পাদক পদটি পেয়েছেন দলের দীর্ঘ ক্রান্তিকালের সহযোদ্ধা, গণতন্ত্রের প্রতি সদা জাগ্রত যোদ্ধা, বর্তমান সরকারে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দলে যাঁর অবস্থান সর্বজনগ্রাহ্য এক চরিত্র।

দল ও দেশের ঐতিহ্য-ইতিহাস সম্পর্কে খুবই ভালো জানেন ওবায়দুল কাদের। তাই আমরা আশা করি, দলীয় নেতৃত্ব বহন করার সময়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দেবেন। দল পরিচালনায় তাঁর অভিজ্ঞতার কমতি নেই। তারপরও মনে রাখতে হবে, হাজার বছরের ঐতিহ্য ভেঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মস্ত্রাস নামক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব্য-মানবতা সব ধ্বংস করতে হাজির হয়েছে। দলীয় কর্ণধার হিসেবে এর বাস্তবসম্মত প্রতিকারে ভূমিকা রাখতে হবে দীর্ঘদিনের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং নবনির্বাচিত ওবায়দুল কাদের সহ সকলকে। সাধারণ জনগণ যেমন অত্যন্ত দক্ষতাপূর্ণ দল চায়, তেমনি রাষ্ট্রের কল্যাণে সৎ, যোগ্য, জনবান্ধব নেতৃত্বও আশা করে। আজকের বাংলাদেশে দ্রুত মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর অর্থনৈতিক সমাধান জরুরী। খুব শিগগিরই একটি মধ্যম আয়ের দেশে চলে যাবো বলে আশা করছি আমরা। তার জন্য রাজনৈতিক সুস্থতা যেমন দরকার, তেমনই নতুন কর্মোদ্যমে জাতিকে দিকনির্দেশনা দেয়া প্রয়োজন।

 

/dr

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন