শিরোনাম :
   মিয়ানমারে বিলাসবহুল হোটেলে ব্যাপক আগুন, নিহত ১    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী    রাবির ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে মেস মালিকদের চরম স্বেচ্ছাচারিতা    বর্ষিয়ান সাংবাদিক বাটুলের হীরক জন্ম জয়ন্তি    ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল    দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে গণগ্রন্থাগার     বস্তিবাসীদের জন্য ১০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার    বেড়িবাঁধ পূনঃনির্মাণ কাজ উদ্বোধন:  দুঃখ ঘুচবে শাহ্পরীর দ্বীপের অর্ধলাখ মানুষের    ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য:  রেহাই পেলেন দুই আ. লীগ নেতা    নদীগর্ভে বিলীনের পথে নবনির্মিত সাইক্লোন সেল্টার

ছাত্রের হাতে মারধরের শিকার রাবি শিক্ষক


সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:৩৪ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ছাত্রের হাতে মারধরের শিকার রাবি শিক্ষক

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইন্সস্টিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)-এর শিক্ষককে মারধর করেছে এমবি-এ ডে ৯ম ব্যাচের ছাত্র নাহিদ হয়দার।

সোমবার দুপুরে আইবিএ-ভবনে ঐ শিক্ষকের চেম্বারে ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে তর্কতর্কির এক পর্যায়ে শিক্ষককে এলাপাথাড়ি মারধর করে। পরে এই শিক্ষার্থীকে মতিহার থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। মারধরের শিকার আইবিএর শিক্ষক প্রফেসর মোহা. হাছানাত আলী।

প্রফেসর মোহা. হাছানাত আলী বলেন, ‘নাহিদ হয়দার নামের শিক্ষার্থীকে গতকাল (রোববার) ইন্টার্নশিপ পেপার জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল সে আসে নাই এবং কোন রকম যোগাযোগও করেনি।

পরে আজকে (সোমবার) লাস্টডেট থাকায় দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ করে ফোন দিয়ে জমা দেওয়ার কথা জানায়, তখন আমি শহরে কাজে থাকায় তাকে ঘন্টাঘানিক পরে আসতে বলি। কিন্তু তাৎক্ষণিক তার পেপার জমা দিতে নিতে হবে বলে বারবার ফোন দিতে থাকে। আমি কাজে ব্যস্ত থাকায় তার ফোন রিসিভ করতে পারিনি। এসময় সে প্রক্টর দপ্তরে যেয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যে, আমি তার পেপার জমা নিচ্ছি না। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে চেম্বার থেকে ক্লাস নেওয়ার জন্য বাহির হচ্ছিলাম, তখন সে এসে বলে আমার রিপোর্ট জমা নিতে হবে। এসময় আমি তাকে সাড়ে ৩টার আসতে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মুখে,বুকে, কানে এলাপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে।’ আহত প্রফেসর হাছানাত আলী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে প্রথামিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এদিকে এঘটনায় জরুরী একাডেমিক সভার মিটিংয়ে বসে আইবিএ শিক্ষকবৃন্দ।

হামলাকারী শিক্ষার্থী নাহিদ হায়দারের ভাষ্যমতে, ‘আজকে লাস্ট ডেট হওয়ায় রিপোর্টটি জমা দিতে চাইছিলাম, কিন্তু তিনি জমা নিতে চাচ্ছিলেন না। পরে তার সাথে দেখা করে রিপোর্টটি জমা দিতে চাইলে উল্টো-পাল্টা কথা বলে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যার কারণে আমি তাকে মারধর করি।’

জরুরী সভায় তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। প্রথমত তার ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম স্থগিত, দ্বিতীয়ত, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রেজিস্ট্রার স্যারকে লিখিতভাবে বলা হবে এবং তার অপরাধ তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘প্রক্টর স্যার এক শিক্ষার্থীকে আমাদের কাছে দিয়েছে, বর্তমানে সে থানা পুলিশের হেফাজতে আছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ তার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিবে আমরা তা বস্তবায়ন করবো।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘এঘটনার পরে আমরা তাৎক্ষণিক সেখানে যায় এবং তাকে পুলিশে দেই। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন