শিরোনাম :

রাবি শিক্ষক রেজাউল হত্যার রায় ৮ মে, ফাঁসি চায় বাদী পক্ষ


বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল ২০১৮, ১২:২০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

রাবি শিক্ষক রেজাউল হত্যার রায় ৮ মে, ফাঁসি চায় বাদী পক্ষ

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকান্ডে দায়ের করা মামলায় উভয়পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ, শুনানি ও দু’দিনে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরীন কবিতা আখতার দুপুরে মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ৮ মে।বুধবার বিকেলে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এন্তাজুল হক বাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল।মামলায় ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত মামলার রায়ের আগামী ৮ মে দিন ধার্য করেন।এ হত্যাকান্ডে সঙ্গে জীবিত এবং মৃত আসামিদের সম্পৃক্ততা তিনি প্রমাণ করতে পেরেছেন। রায়ে জীবিত আসামিদের সবার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা করছেন তিনি।এদিকে হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চায় মামলার বাদীপক্ষ।মামলার রায়ের ব্যাপারে নিহতের মেয়ে রেজোয়ানা হাসিন শতভী বলেন, ‘আমরা অপরাধীদের সবার ফাঁসি চাই। মামলার সুষ্ঠু বিচার হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

তবে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলামকে দুই বছরেও পুলিশ গ্রেফতার দেখাতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিহতের মেয়ে রেজোয়ানা হাসিন শতভী।

মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শরিফুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।আর কারাগারে রয়েছেন বগুড়ার শিবগঞ্জের মাসকাওয়াত হাসান ওরফে আব্দুল্লাহ। এছাড়া, বাকি তিনজন নীলফামারীর মিয়াপাড়ার রহমতুল্লাহ, রাজশাহী মহানগরীর নারকেলবাড়িয়া এলাকার আবদুস সাত্তার ও তার ছেলে রিপন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন বলে জানান তিনি।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল নগরীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাড়ির কাছে অধ্যাপক রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষকের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় হত্যা অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন নগরীর গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক রেজাউস সাদিক। প্রায় সাড়ে ৬ মাসের তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ৮ জনকে আসামী করে প্রতিবেদনটি আদালতে জমা দেন তিনি।এরমধ্যে ৪ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বর্তমানে একজন কারাগারে ও তিনজন জামিনে রয়েছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন