শিরোনাম :

ঢাবি হল থেকে ছাত্রীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ


শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ঢাবি হল থেকে ছাত্রীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ

ডেস্ক প্রতিবেদন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হলের কয়েকজন ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হল ত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে হল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ফোন কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকজনকে হল থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঠিক কত ছাত্রীকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে সে সম্পর্ক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বের করে দেয়া ছাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন অন্তি (পদার্থ), রিমি (পদার্থ), শারমিন (গণিত)। এছাড়া বাকিদের নাম পায়া যায়নি।হল থেকে বের করে দেয়া ছাত্রীদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতেও নিষেধ করেছে হল কর্তৃপক্ষ।
আবদুল আউয়াল নামে এক অভিভাবক রাত ১০টার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার বোনকে ফোন দিয়েছিলাম। সে না ধরে তার এক শিক্ষক ধরেন।তিনি আমাকে আসতে বলেন।

রাত ১২টার দিকে গণিত তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী শারমিনকে নিয়ে তার স্থানীয় অভিভাবক হল থেকে বেরিয়ে আসেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে তারা কোনো কথা বলতে চাননি। শারমিনের অভিভাবক বলেন, তাদের কোনো কথা বলতে মানা করা হয়েছে।

মো. ফারুক নামে একজন অভিভাবককে রাত সাড়ে ১২টার দিকে হলের সামনে দেখা যায়। ঢাকার ধামরাই উপজেলা থেকে মেয়েকে নিতে আসেন তিনি।এর আগে ছাত্রী নিপীড়নের ঘটনায় গঠিত হলের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধেও সাক্ষাত্কার গ্রহণের নামে ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে।ছাত্রী নিপীড়নের অভিযোগে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘটনায় সম্পৃক্তদের ডেকে নিয়ে এমন হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।হলের প্রভোস্ট সাবিতা রেজওয়ানা কয়েকটি গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা অনেক ছাত্রীকে তদন্তের জন্য ডেকেছি। তাদের মোবাইল চেক করা হচ্ছে। তারা বিভিন্ন ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে গুজব ছড়াচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান হয়রানির অভিযোগটিকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেন।জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত কমিটি হয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ তো করতেই পারে।কোটা সংস্কার আন্দোলনের মঞ্চ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার রক্ষা পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, রাতে আটজনকে বের করে দেয়া হয়েছে।সাধারণ ছাত্রীরা হলের এই অবস্থানের বিরোধিতা করছেন। তারা মারাত্মক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা বলছেন হলের প্রাধ্যক্ষ আরও বহু ছাত্রীর ছাত্রত্ব বাতিল করে দেয়া, গোয়েন্দা নজরদারি ও মামলার ভয় দেখাচ্ছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন