শিরোনাম :

হামলার লিখিত অভিযোগ পাইনি, পেলে ব্যবস্থা: ঢাবি প্রক্টর


মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮, ০৩:৫৪ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

হামলার লিখিত অভিযোগ পাইনি, পেলে ব্যবস্থা: ঢাবি প্রক্টর

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেছেন, শনিবার ও সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলকারীদের ওপর হামলার বিষয়ে কেউ এখনও আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।আজ মঙ্গলবার দুপুরে কলা ভবনে তার কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। প্রায় ৩০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকার পর রুম থেকে বের হয়ে আসেন তিনি। আর কতো হামলা হলে আপনি নিজেকে ব্যর্থ মনে করবেন শিক্ষার্থীদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটির পরে ১ জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয়। যেভাবে শিক্ষার পরিবেশ রাখা যায়, তার জন্য কাজ করছি। গত ২৩ জানুয়ারি ছাত্রদের হামলায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সে অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আপনারা খুঁজে চিহ্নিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা হুমকিস্বরূপ, আমরা তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাব।

গ্রেপ্তার হওয়া রাশেদ ও নুর হোসেন নুরের কী হবে শিক্ষার্থীরা এমন প্রশ্ন করলে প্রক্টর কোনও উত্তর না দিয়ে চলে যান। এর আগে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীরা, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অপরাজেয় বাংলার সামনে মানববন্ধন করেন।সোমবার সকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জড়ো হতে গেলে ছাত্রলীগের কর্মীরা হামলা চালান। তাদের কিল, ঘুষি, লাথি মেরে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত শনিবার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় ব্যাপক মারধরের শিকার হন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী।

সরকারি চাকরিতে কোটা থাকবে না, ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করতে দাবি জানিয়ে আসছিল আন্দোলনকারী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা। এর আগে কোটা সংস্কারে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন