শিরোনাম :

বাবা-মা থেকে সন্তানের সুশিক্ষক হয়ে উঠার উপায়


রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:৩২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বাবা-মা থেকে সন্তানের সুশিক্ষক হয়ে উঠার উপায়

ডেস্ক: শিক্ষক আমাদের পথপ্রদর্শক, আমাদের সাফল্যের পথ দেখান শিক্ষকরা। কিন্তু কোনও প্রোফেশনাল শিক্ষকের আগে আমাদের মা-বাবা আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, সাধারণ নিয়ম কানুন সব কিছুর প্রথম শিক্ষা আমাদের বাবা-মাই আমাদের দিয়ে থাকেন। এই শিক্ষক দিবসে মা বাবারা জেনে নিন কীভাবে সন্তানের ভাল বন্ধু হয়ে ওঠা যায়, কীভাবে তাঁদের সঠিক পথের সন্ধান দেওয়া যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাকঃ

২০১৮ সালের শিক্ষক দিবসে জেনে নিন কীভাবে সন্তানের জীবনের সেরা পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবেন:

১. টিভি, ল্যাপটপ বা ফোনের পর্দায় আপনার সন্তান কতোটা সময় কাটাচ্ছে তার খেয়াল রাখুন

টিভি, ল্যাপটপ বা মোবাইলের পর্দায় অনেকটা সময় কাটালে শিশুদের নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। মা বাবার অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত আপনার সন্তান কতোটা সময় টিভি, মোবাইল বা ল্যাপটপে সময় কাটাচ্ছে। শিশুদের দিনে ৩০ মিনিটের বেশি সময় ল্যাপটপ বা মোবাইলে সময় কাটানো উচিত নয়- জানলেন সেলিব্রিটি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রুতুজা দিওয়েকর। এছাড়াও তিনি বলেন, সুস্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য শিশুদের দিনে দেড় ঘণ্টা সময় খেলাধুলার সঙ্গে নিজুক্ত থাকা উচিত।


মা বাবাই শিশুর জীবনের প্রথম শিক্ষক।

২. শিশুদের হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করুন

শিক্ষক দিবসে মা বাবা অবশ্যই শিশুদের খাবার খাওয়ার আগে ও পরে হাত ধয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। শৌচকর্ম, খেলাধুলা, নোংরা কিছু ধরা বা বাইরে থেকে আসার পর শিশুদের হাত ধুতে শেখান। নচেৎ জীবাণু সংক্রমণের ফলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই শিশুর নিয়মিত হাত পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩. নির্দিষ্ট সময় শিশুর টিকাকরণ করান

২ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটা শিশুর টিকাকরণ অবশ্যই প্রয়োজন। প্রত্যেক মা বাবার কর্তব্য শিশুর নির্ধারিত সময় টিকাকরণ করানো এবং কখনও দেরি না করা। নির্দিষ্ট সময় টিকাকরণ করে শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখুন।

৪. নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের অভ্যাস তৈরি করুন

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম প্রয়োজন। যে সকল শিশুরা যথেষ্ট ঘুমায় না তারা সাধারণত হাইপারঅ্যাক্টিভ হয়ে যায়। এমন কী পড়াশোনাতেও অমনোযোগী হয়ে ওঠে। টডলারদের দিনে ১১-১৪ ঘণ্টা এবং প্রিস্কুলারদের দিনে ১০-১৩ ঘণ্টা এবং কিন্ডারগার্টেনে পড়া শিশুদের দিনে ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। শিশুর বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।

৫. আপনার সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান

আপনার সন্তানকে হাতে ফোন বা ল্যাপটপ তুলে দিয়ে তার মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা না করে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান। আপনার সন্তানকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রাখুন। তারা কী বলতে চায় শুনুন। সন্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। আপনারাই আপনাদের সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক!

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন