শিরোনাম :
   জাগো বাংলাতে সাংবাদিকতায় চাকরির সুযোগ    ইরানকে নিয়ে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন হাসান রুহানি    রোহিঙ্গা সংকট: নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান    সু চিকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ফৌজদারি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর সুপারিশ    আজকের রাশিফল: ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার, ২০১৭    নিজেদের মাঠে বেটিসের কাছে হেরে গেল রিয়াল মাদ্রিদ    মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান    রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ২৬২ কোটি টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র    রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে ধ্রুবতারার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত    সাপাহারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাগুলো  দ্রুত সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর 

শিল্পী আবদুল জব্বারের অবস্থা সংকটাপন্ন


রবিবার, ২৭ আগস্ট ২০১৭, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

শিল্পী আবদুল জব্বারের অবস্থা সংকটাপন্ন

বিনোদন ডেস্ক: ‘ওরে নীল দরিয়া, আমায় দে রে দে ছাড়িয়া’, ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ ‘পীচঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’সহ অনেক কালজয়ী গানের গায়ক আবদুল জব্বার গুরুতর অসুস্থ। ৭৯ বছর বয়সী এ শিল্পী কিডনি, হার্ট, প্রস্টেট, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত।

গত তিন মাস ধরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

শনিবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করে।

হাসপাতালে আবদুল জব্বারের পাশে আছেন তার স্ত্রী হালিমা জব্বার ও দুই ছেলে মিঠুন জব্বার ও বাবু জব্বার।

শনিবার সন্ধ্যায় বাবু জব্বার বলেন, ‘হঠাৎ করেই বাবার শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়েছে। সে কারণে তাকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।’ বাবার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান বাবু।

বিএসএমএমইউর আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দেবব্রত বণিক বলেন, আবদুল জব্বারের শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। তার শরীর এখন আর কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করছে না। তার দেহের বিভিন্ন অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আবদুল জব্বার কিডনি, হার্ট, প্রস্টেট, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আবদুল জব্বার হারমোনিয়াম গলায় ঝুলিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থানে গণসঙ্গীত গেয়ে পাওয়া প্রায় ১২ লাখ টাকা স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। ১৯৭১ সালে ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জনমত তৈরিতেও নিরলসভাবে কাজ করেন তিনি।

১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আবদুল জব্বার। সঙ্গীতকে ভালোবেসেই তিনি জীবনের পথে চলছেন। ১৯৫৮ সালে বেতারে গান করেন। ১৯৬২ সালে বংলাদেশ বেতার ও ১৯৬৪ সালে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হন। ১৯৬৮ সালে ‘এতটুকু আশা’ ছবিতে সত্য সাহার সুরে তার গাওয়া ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তিনি বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত তিনটি সর্বোচ্চ পুরস্কার- বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক (১৯৭৩), একুশে পদক (১৯৮০) ও স্বাধীনতা পুরস্কারে (১৯৯৬) ভূষিত হন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন