শিরোনাম :
   মিয়ানমারে বিলাসবহুল হোটেলে ব্যাপক আগুন, নিহত ১    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী    রাবির ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে মেস মালিকদের চরম স্বেচ্ছাচারিতা    বর্ষিয়ান সাংবাদিক বাটুলের হীরক জন্ম জয়ন্তি    ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল    দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে গণগ্রন্থাগার     বস্তিবাসীদের জন্য ১০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার    বেড়িবাঁধ পূনঃনির্মাণ কাজ উদ্বোধন:  দুঃখ ঘুচবে শাহ্পরীর দ্বীপের অর্ধলাখ মানুষের    ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য:  রেহাই পেলেন দুই আ. লীগ নেতা    নদীগর্ভে বিলীনের পথে নবনির্মিত সাইক্লোন সেল্টার

ধর্মগুরুকে বাচাঁতেই সহিংসতা চালায় হানিপ্রীত!


শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭, ০৫:২০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ধর্মগুরুকে বাচাঁতেই সহিংসতা চালায় হানিপ্রীত!

বিনোদন ডেস্ক: জোড়া ধর্ষণ মামলায় ২০ বছরের কারাদন্ডাদেশপ্রাপ্ত ভারতের ধর্মগুরু রাম রহিমকে আদালত দোষী সাব্যস্ত করার পর তার ভক্তদের তাণ্ডবে মুহূর্তে উত্তাল হয়ে পড়েছিল পঞ্চকুলা। সহিংসতায় নিহত হয় ৩৬ জন।

ডেরা কর্তৃপক্ষ থেকে দাবি করা হয় 'বাবা'র প্রতি ভক্তদের ভালবাসা থেকেই সে দিন জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে। রাম রহিমের পালিত কন্যা হানিপ্রীত গ্রেফতার হওয়ার পর জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পুলিশের দাবি, সে দিনের সহিংমতা শুধু 'বাবা'র প্রতি ভক্তদের প্রেম ছিল না। এর মধ্যে লুকিয়ে ছিল টাকার খেলা।

পুলিশের অভিযোগ, পালক পিতাকে বাঁচানোর জন্য হিংসা ছড়াতে কোটি টাকা খরচ করেছিলেন হানিপ্রীত। রাম রহিমের নির্দেশেই নাকি সেই টাকা এসেছিল ডেরার অ্যাকাউন্ট থেকে। রাম রহিমের গাড়ির চালক তথা ব্যক্তিগত সহায়ক রাকেশ কুমারকে জেরার পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্যটি সামনে এসেছে বলে দাবি করেন পঞ্চকুলার পুলিশ কমিশনার এ এস চাওলা।

৩৮ দিন পালিয়ে বেড়ানোর পর গত মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) পুলিশের হাতে ধরা পড়েন হানিপ্রীত। টাকা দিয়ে হিংসা ছড়ানোর প্রশ্নে তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিচ্ছেন না বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ করছিল পুলিশ।

পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা না করায় তাঁর নার্কো পরীক্ষার আবেদন করা হতে পারে বলে জানিয়েছিল পুলিশ। হানিপ্রীত গ্রেফতারির দিন কয়েক আগে গ্রেফতার হন রাম রহিমের গাড়ির চালক তথা ব্যক্তিগত সহায়ক রাকেশ কুমার। জোড়া ধর্ষণ মামলার শুনানি চলাকালীন রাম রহিম এবং হানিপ্রীত দু’জনকেই সঙ্গ দিতেন এই রাকেশ। ২৬ অগস্ট অর্থাৎ গুরমীতের সাজা ঘোষণার পর দিনই রোহতক থেকে হানিপ্রীতকে সিরসায় সরিয়ে নিয়ে আসেন তিনি। তারপরও হানিপ্রীতকে পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সাহায্য করেন রাকেশ।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাকেশ গ্রেফতার হন। তাঁকে জেরা করে পুলিশ হানিপ্রীত সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারে।

পুলিশের দাবি, জেরায় রাকেশ জানিয়েছেন, সে দিন হিংসা ছড়ানোর জন্য ডেরা পঞ্চকুলা শাখার প্রধান চমকৌর সিংহের হাতে হানিপ্রীত সোয়া কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে আর বেশি কিছু জানাতে চায়নি পুলিশ। সূত্র: আনন্দবাজার

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন