শিরোনাম :

বাথটাবে ডুবে শ্রীদেবীর মৃত্যু, রক্তে মাদকের আলামত


মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:০৫ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বাথটাবে ডুবে শ্রীদেবীর মৃত্যু, রক্তে মাদকের আলামত

বিনোদন ডেস্ক: হার্ট অ্যাটাক নয়, বাথটাবের পানিতে ‘ডুবে’ মৃত্যু হয়েছে বলিউড সুপারস্টার শ্রীদেবীর।দুবাই হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই অভিনেত্রীর পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর কারণ সংক্রান্ত ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর করা হয়েছে গতকাল সোমবার।সেই রিপোর্টের কপি গণমাধ্যমেও সরবরাহ করে পুলিশ।তারা জানিয়েছে এই মৃত্যুকে ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করার মতো কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।এটা নিছক দুর্ঘটনা। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুবাই অবস্থান করছিলেন শ্রীদেবী।

ফরেনসিক রিপোর্টের ব্যাখ্যায় দুবাই পুলিশ বলেছে, ধারণা করা হচ্ছে শনিবার স্থানীয় জুমেইরাহ এমিরেটস টাওয়ারের হোটেলের গোসলখানায় ঢোকার পর যে কোনো কারণে মুর্চ্ছা যান এই অভিনেত্রী।সেই অবস্থাতেই তার মাথা ডুবে যায় পানিভর্তি বাথটাবে।ওই সময় সংজ্ঞাহীন থাকায় পানি থেকে মাথা তুলতে পারেননি তিনি।ফলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান। দুবাইয়ের গাল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় শ্রীদেবী এলকোহলের প্রভাবে ছিলেন।তার রক্তের নমুনা থেকে এটা পাওয়া গেছে।হয়তো একারণে কিছুটা ‘তন্দ্রাচ্ছন্ন’ অবস্থায় তিনি গোসলখানায় ঢুকেছিলেন।

এদিকে দুবাই সরকারের পক্ষ থেকে গতকাল এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফরেনসিক রিপোর্ট পাবার পর বিষয়টি দুবাই পাবলিক প্রসিকিউশনের হাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।তারা প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে।সেখানকারও পুলিশ তাদের সদর দফতরের টুইটার অ্যাকাউন্টে মৃত্যুর একই কারণ উল্লেখ করে পোস্ট দিয়েছে।দুবাইয়ের রশিদ হাসপাতাল জানিয়েছে, তাদের কাছে নেয়ার অনেক আগেই শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়েছিল।

গতকাল দুবাইয়ে কর্মরত ভারতীয় দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা এবং শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুরের আত্মীয় সৌরভ মালহোত্রাকে হাসপাতালের মর্গে ডেকে পাঠানো হয়।তাদেরকে জানানো হয়, ফরেনসিক দপ্তর শ্রীদেবীর মৃত্যুর কারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে।তাই দ্বিতীয়বারের জন্য ময়নাতদন্ত করার প্রয়োজন নেই।তার মরদেহ নেয়ার জন্য ভারতের শিল্পপতি অনিল আম্বানির ১৩ আসনের ব্যক্তিগত জেট বিমান রবিবার দুবাই বিমানবন্দরে পৌছায়।এদিকে, শ্রীদেবীর বাবা-মা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করেছেন তাদের কাছে যেন এই মৃত্যু নিয়ে কোনো বক্তব্য চাওয়া না হয়।তারা মনে করছেন তাদের উদ্ধৃত করে বিভিন্ন গণমাধ্যম মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন