শিরোনাম :

মুক্তি পেল উত্তম কুমারের ডকু-ফিচারের মিউজিক


বুধবার, ২৫ জুলাই ২০১৮, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

মুক্তি পেল উত্তম কুমারের ডকু-ফিচারের মিউজিক

বিনোদন: মুক্তি পেল মহানায়ক উত্তম কুমারের জীবনী নিয়ে তৈরি প্রথম ডকু ফিচার "যেত নাহি দিব"- এর মিউজিক।

মহানায়কের মৃত্যুর ৩৮ বছর পর তার জীবনের নানা অজানা কাহিনীর কথা বলবে এই ডকু ফিচার। এর ডকু ফিচার পরিচালনা করেছেন প্রবীর দে। তিনি মহানায়কের মৃত্যু আগে তাকে খুব কাছ থেকে জানার সুযোগ পেয়েছিলেন। এছাড়াও এই ডকু ফিচারের বিভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে সুজন মুখার্জি, অমিত ভট্টাচার্য, মল্লিকা সিনহা রায়, পিউ পাল, উজ্জয়িনী ব্যানার্জি, পায়েল রায়, শকুন্তলা বড়ুয়া, দুলাল লাহিড়ী, প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য, স্বস্তিকা দত্ত, সুদীপ সরকার, প্রিয়া মালাকার, সৈকত মিত্র ও তিতলি। এর সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দিপ্তেশ ও প্রদীপ্ত।

মহানায়ক উত্তম কুমারের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা সুজন মুখোপাধ্যায় বলেন, " প্রবীরদা যখন প্রথমবার আমায় এই ডকু ফিচারের প্রস্তাব দেন তখন আমি বিষয়টা ভেবেছিলাম যে চরিত্রটা করতে পারব কিনা। আমি ছোটবেলা থেকে উত্তমজেঠু ও সৌমিত্রজেঠুর বড় ভক্ত। উত্তম জেঠুর জীবনের বেশিরভাগ ঘটনাই মানুষ খাপছাড়া ভাবে জানেন। কিন্তু, প্রবীরদা ওনার সঙ্গে দীর্ঘ ৮ বছর ছিলেন। তাই উনি অনেক কাছ থেকে উত্তমজেঠুকে চেনা ও জানার সুযোগ পেয়েছেন। এখানে ডকু ফিচারে আমায় দেখা যাবে ১৯৪০ সালের পরের দিকটায়। যখন উনি বেণুদির ময়রা স্ট্রিটের বাড়িতে থাকতেন। এই কাজটা করতে গিয়ে আমি চেষ্টা করেছি উত্তমজেঠুর চরিত্রটাকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে। ওঁনার ধারে কাছে যাওয়া বোধহয় আমাদের কারও পক্ষে সম্ভব নয়। এই ডকু ফিচারে ওঁনার পারিবারিক জীবন, অভিনয় জীবনকে দেখা যাবে। উনি যে ভাবে শিল্পী সংসদ, টেকনিশিয়ানদের জন্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করার প্রচেষ্টা করেছেন, সেই সব কিছু ফুটে উঠবে এই গল্পে।"

এই ডকু ফিচারে সুপ্রিয়াদেবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মল্লিকা সিনহা রায়। তিনি এবিষয়ে বলেন, " গল্পে আমি সুপ্রিয়াদেবীর চরিত্রে আছি। গল্পে ওনাকে দুটি বয়সে দেখানো হয়েছে। একটা কম বয়সে। আর একটা বেশি বয়সে। আমি বেশি বয়সের চরিত্রটা করছি। মহানায়কের জীবনকে এতো কম সময়ের মধ্যে দেখানো সম্ভব নয়। একজন সাধারণ মানুষ নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দিয়ে নিজেকে কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করল। কীভাবে মহানায়ক হিসেবে তিনি পরিচিত হলেন এই গল্পে প্রবীরদা সেই সব কাহিনীগুলিকে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা একবার সুপ্রিয়াদেবীর বাড়িতে গেছিলাম উত্তমকুমারের জীবনী জানতে। তিনি আমাদের এই উদ্যোগ দেখে খুশি হয়েছিলেন। তবে ওনাকে পর্দায় দেখানো নিয়ে আমায় বিশেষ কিছু করতে বলেননি। শুধু বলেছিলেন যেন নিজের মতো করে করি।"

পরিচালক প্রবীরদে বলেন, "আমি চেয়েছিলাম সবার সাহায্য নিয়ে মহানায়কের একটি বায়োপিক তৈরি করতে। কিন্তু, সেই সাহায্য আমি পাইনি। আমার তাঁকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছিল আট বছর। আমি ওনাকে অনেক কাছ থেকে দেখা ও জানার সুযোগ পেয়েছি। সুপ্রিয়াদেবীর সঙ্গেও কথা বলেছি। অনেক বই পড়ে তাঁর সম্পর্কে জেনেছি। এটি ১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটের ডকু ফিচার। মহানায়কের চরিত্রটা করার জন্য আমি অনেকের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু, সুজনকে যখন এই রোলের অফার করে ওর লুক টেস্ট করলাম, দেখলাম ওকে এই চরিত্রের সঙ্গে বেশ মানিয়েছে। আমার গল্পে কোনও রকম ধোঁয়াশা নেই। যা বাস্তবে হয়েছে সেটাই আমি আমার ফিচারে দেখিয়েছি। যেমন উনি বেনুদির সঙ্গে ১৯৬৩ থেকে ১৭ বছর ছিলেন। এছাড়াও এই ফিচারে অনেক পুরোনো ছবির ক্লিপিংস রয়েছে। তবে এই ফিচারে একটি মাত্র গান আছে "নীড় ছোট ক্ষতি নেই" এটা ছাড়া আর কোনও গান নেই এই ফিচারে।
আশা করছি আগামী ৭ তারিখ নন্দনে এটি দেখানো হবে। "

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন