শিরোনাম :

অমিতাভ ও আমিরকে পুলিশ বার্তা দিল!


সোমবার, ১ অক্টোবর ২০১৮, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

অমিতাভ ও আমিরকে পুলিশ বার্তা দিল!

বিনোদন: ‘তাদের মুলুকে ঠগদের কোন জায়গা নেই’ অমিতাভ বচ্চন ও আমির খানকে এমনই বার্তা দিলেন মুম্বাই পুলিশ। এমন কথায় শোরগোল পড়ে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এতে কিছু যায়-আসে না আমিরের। বরং মুম্বাই পুলিশের এই নির্দেষ হাসি মুখে মেনে নিয়েছেন তাঁরা। এমনকি মুম্বাই পুলিশের এই ট্যুইটের উত্তর দিয়েছেন দুই সুপারস্টার। যেমন আমির জানিয়েছেন, যে মুম্বাই পুলিশ নিজেদের কাজে যথেষ্টই তুখোর। তাই তো সবার ভরসা তাদের উপর। অন্যদিকে অমিতাভ বচ্চন মুম্বাই পুলিশের কাজকে সম্মান জানিয়েছেন।

আসলে গোটা বিষয়টার কেন্দ্রে ‘ঠগস অফ হিন্দুস্থান’। এই ছবির একটি ডায়ালগকে নিয়ে একটি ট্যুইট পোস্ট করেছে মুম্বাই পুলিশের একটি শাখা। তারা জানায় যে তাদের মুলুকে ঠগদের কোন জায়গা নেই৷ নিজেদের দায়িত্বে তারা সর্বদাই সজাগ। তাই তো এমন কোন ঠগবাজ বা জোচ্চরদের নিজেদের রাজ্যের বাইরেই রাখতে সক্ষম তারা।

একজনের স্বভাব প্রতারণা আরেকজনের সততা৷ সেই থেকেই তৈরি হয়েছে লড়াই ময়দান৷ খুদাবক্সের সঙ্গে ফিরাঙ্গির মুখোমুখি সংঘর্ষের সাক্ষী থাকবে গোটা দেশ৷ তবে খুদাবাক্সের তলোয়াড়ের এক কোপে হার মানবে ফিরাঙ্গি? এমনটাই বলছে ‘ঠগস অফ হিন্দোস্তান’র ট্রেলার৷ এরই মাঝে উত্তাল সমুদ্র। জ্বলছে জাহাজ। তার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিল চার ঠগেরা। মুখে হিংসা আর কঠোরতার ছাপ। কেউ দাঁড়িয়ে তির-ধনুক নিয়ে, তো কেউ তলোয়াড়। এমনই ছিল ‘ঠগস অফ হিন্দোস্তান’ এর চিত্র৷ ভক্তদের অনুমান ছিল ছবির চার চরিত্র অমিতাভ, আমির, ক্যাটরিনা এবং ফাতিমা মিলে একসঙ্গে লড়বে শত্রুদের বিরুদ্ধে৷ এরই মাঝে পাশাবদল৷


ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়তে দাঁড়িয়ে রইল খুদাবক্স এবং জাফিরা৷ শত্রুপক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে ফিরাঙ্গি৷ অন্যদিকে ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির মালিক জন ক্লাইভকে নিজের শরীরি আবেদনে ভোলাতে সুরাইয়া একাই একশো৷ বাইজির পরিচয় সেখানে থাকলেও সুরাইয়াও একজন ঠগ৷ খুদাবাক্সকে আজাদ বলেই চেনে শত্রুদের দল৷ আজাদের সঙ্গে যুদ্ধে নামতে গেলে তাঁরি মতোন শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান যোদ্ধাই চাই৷ সেই থেকেই খুঁজে বের করা হল ফিরাঙ্গিকে৷ কে জিতবে অবশেষে? উত্তর লুকিয়ে নভেম্বরের ৮ তারিখে৷

ট্রেলার নিয়ে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা৷ যেখানে (আজাদ/ খুদাবাক্স) এর চরিত্রে অমিতাভের লুকে তোলপাড় হয়ে চলেছে নেটদুনিয়া৷ এই বয়সেও সেই পুরনো হিরইক আমেজ ধরে রেখেছেন শাহেনশাহ৷ ছাপিয়ে গিয়েছে (ফিরাঙ্গি) আমির খানকেও৷ লুক, স্টাইল, স্ক্রিন প্রেজেন্স, কোনও কিছুতেই অমিতাভের সঙ্গে কোনও তুলনাই করে চলে না আমিরের৷ এমনটা আমির নিজেও মনে করেন৷ সম্প্রতি ছবির পোস্টার রিলিজ করে আমির লিখেছিলেন, “পোস্টারে নিজেকে অমিতাভ বচ্চনের পাশে দেখা, আমার কাছে স্বপ্নের মতো। তাই আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না এটা আমার সঙ্গে হয়েছে”।

আমিরের ‘ঠগস অফ হিন্দোস্তান’ নিয়ে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ছবিতে প্রথমবার ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে আমিরকে। তাছাড়া ভারতীয় চলচ্চিত্রে ফিকশনের এখনও পর্যন্ত সেরা উদাহরণ ‘বাহুবলী’। দু’টি ভাগে মুক্তি পেয়েছিল রাজামৌলির ছবিটি। আঞ্চলিক সিনেমা হলেও রেকর্ড ব্যবসা করেছিল মাহেশমতি সাম্রাজ্যের কাহিনি। এবার তাকেও টক্কর দিতে চান প্রযোজক আদিত্য চোপড়া। তাই খরচ যাই হোক, নিজের পিরিয়ড ড্রামাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে কোনও আপস করতে রাজি নন প্রযোজক।

এই সিনেমার জন্য তৈরি হয়েছে আস্ত দুই জাহাজ। যা প্রায় একবছর ধরে তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইউরোপের মাল্টা উপকূলে এই জাহাজ দু’টি তৈরি করার জন্য প্রায় হাজার শ্রমিক এক বছর ধরে কাজ করেছেন। অভিজ্ঞ ডিজাইনারদের পরামর্শও নেওয়া হয়েছে। তৈরি হওয়ার পর দু’টি জাহাজের ওজন হয়েছে দুই লক্ষ কিলোগ্রাম।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন