শিরোনাম :

'প্রফুল্লকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া যায়'


রবিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ১২:০৯ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

'প্রফুল্লকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া যায়'

বিনোদন: বিপদ থেকে প্রফুল্ল অবশ্য নিজের জানা জ্ঞানের জোরে দু’বার নিজের শ্বশুরকে রক্ষা করেন। কিন্তু তাতে সামান্য সদয় হলেও মন‌ গলে না জমিদারের। অনেক সাধ্য সাধনার পরে অবশেষে শ্বশুরবাড়িতে প্রফুল্লের ঠাঁই হয়েছে ঠিকই কিন্তু সে জায়গা যে একটুও পাকা নয় সে কথা প্রতি পদে টের পাচ্ছে সে। শাশুড়ির মন অবশ্য প্রফুল্ল তার নিজগুণেই জিতে নিয়েছে। দিদিশাশুরিও প্রফুল্লের কাজে কথায় সন্তুষ্ট। কিন্তু শ্বশুর একেবারেই মুখ ঘুরিয়ে রেখেছেন প্রফুল্লের দিক থেকে। প্রফুল্লের দুই সতীন নয়ন বউ আর সাগর বৌ। সাগর বৌ ভারি মিষ্টি, তার অল্প বয়স, সে জমিদার বাড়ির মেয়ে। তার মনে তেমন হিংসে নেই। প্রফুল্লকে সে সতীন কম দিদিই বেশি মনে করে। সে ভাবে এই বুঝি তার নতুন খেলার সাথী এসেছে।

প্রফুল্লও সাগরকে ভারি ভালোবাসে। তবে বাধ সেজেছে নয়ন বউ। প্রফুল্ল আসার আগে থেকেই সে সতীন আসার ঘোরতর বিরোধী ছিল। কিন্তু তার আপত্তি সত্বেও যখন প্রফুল্ল স্বামীর বাড়িতে প্রবেশ করে তখন সে ক্রমাগত ফন্দি আঁটতে থাকে কী করে বাবার চোখে প্রফুল্লকে খারাপ প্রতিপন্ন করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া যায়।

প্রফুল্ল শ্বশুরকে প্রাণে বাঁচিয়ে পুজোর কাজে হাত লাগানোর অনুমতি পায়। কিন্তু এর মধ্যেই ফের ঘটে যায় অঘটন। রাতে প্রফুল্লের স্বামী ব্রজকে বাড়ির কাজের লোক বামুন দি খাবার বেড়ে দেন এ কথা শুনে প্রাণে বাজে প্রফুল্লের। সে স্বামীসেবা করতে গিয়ে ভুলে যায় যে শ্বশুর তাকে ব্রজের সামনে যেতে নিষেধ করেছে‌ন। সাগর বউকে পরিবেশন করা শেখাতে গিয়ে সোজা ব্রজর সামনে পড়ে প্রফুল্ল। আর তখনই সেখানে এসে নয়ন বউ অশান্তি শুরু করে দেয়। প্রফুল্ল আপ্রাণ চেষ্টা করে সকলকে বোঝাতে যে সে ইচ্ছা করে এমনটা করেনি। শুধুমাত্র স্বামীকে যত্নে খেতে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল মাত্র। কিন্তু উল্টে শাশুরিও তার প্রতি রুষ্ট হন। এবার কী করবে প্রফুল্ল? তবে কি তার শ্বশুরবাড়ির ঠাঁইও চলে যাবে? জানতে হলে স্টার জলসার পর্দায় চোখ রাখুন ‘দেবী চৌধুরানী’র সামনের পর্বে।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন