শিরোনাম :

যৌন হেনস্থার শিকার সাইফ আলিও


সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:২৯ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

যৌন হেনস্থার শিকার সাইফ আলিও

বিনোদন: ‘মি টু ক্যাম্পেইনে-র জেরে বলিউডে শুরু হয়েছে জোর শোরগোল। এরই কাতারে দাঁড়ালেন সাইফ আলি খান। ২৫ বছর আগে তাকেও যৌন হেনস্থা হতে হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, যখন যে ব্যক্তিকে হেনস্থা করা হয়, অপমান করা হয়, সেই কষ্টতা শুধু তিনিই অনুভব করতে পারেন। অন্য কার পক্ষে তা বুঝে ওঠা সম্ভব নয়। অন্যের কষ্ট বোঝা কষ্টকর। তাই বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না কারণ, বর্তমানে যা হচ্ছে, তাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ নন। তবে ২৫ বছর আগে যা হয়েছিল, তা ভাবলে তিনি এখনও রেগে যান। তাই যদি কেউ হেনস্থার অভিযোগ করেন কার বিরুদ্ধে, তাহলে এখন সময় এসেছে, সে বিষয়ে নজর দেওয়ার।

শুধু তাই নয়, যেভাবে একের পর এক যৌন হেনস্থার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে, তাতে অস্বস্তি হচ্ছে তাঁর। তাঁর মেয়ে সারা আলি খানের সঙ্গে যদি কেউ খারাপ ব্যবহার করেন, তাহলে সেই ব্যক্তি তিনি কষিয়ে থাপ্পড় মারবেন। তাতে যা হয় হবে। তিনি ভয় পান না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সাইফ আলি খান।

শুধু মেয়ে সারা আলি খান নন, স্ত্রী করিনা কাপুর খান, বোন সোহা আলি খান এবং মা শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গেও যদি কেউ কোনও খারাপ ব্যবহার করেন, তাহলে তাঁকে ছেড়ে দেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সাইফ।

এদিকে যৌন হেনস্থার ঘটনায় সুবিচারের জন্য নানা পাটেকর-সহ অন্য অভিযুক্তদের লাই ডিটেকটর টেস্ট, নারকো ও ব্রেইন ম্যাপিংয়ের দাবি করলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। ওসিয়ারা পুলিসের কাছে আইনজীবী নিতিন সতপুতের মাধ্যমে এই মর্মে আবেদন করেন অভিনেত্রী।

২০০৮ সালে 'হর্ন ওকে প্লিজ' ছবির সেটে শ্যুটিং চলাকালীন তাঁকে নানা পাটেকর যৌন হেনস্থা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তনুশ্রী দত্ত। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে নানা পাটেকর, নৃত্য নির্দেশক গণেশ আচার্য, প্রযোজক সামি সিদ্দিকি ও পরিচালক রাকেশ সারাঙের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা (জোর করে নারীর সম্মানহানি) ও ৩৫৯ ধারায় (শব্দ, অঙ্গিভঙ্গি বা ইঙ্গিতের মাধ্যমে মহিলার সম্মানহানি) মামলা দায়ের করেছে ওসিয়ারা পুলিশ।

তনুশ্রীর আইনজীবী সতপুতে শনিবার জানিয়েছেন, নানা পাটেকর, গণেশ আচার্য, সিদ্দিকি ও সারাঙ-সহ মিথ্যা সাক্ষীদের গ্রেফতারি চাইছেন তাঁর মক্কেল।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন