শিরোনাম :

নামকরণেই লুকিয়ে ছবির মূলসূত্র


রবিবার, ১০ মার্চ ২০১৯, ১২:৫১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

নামকরণেই লুকিয়ে ছবির মূলসূত্র

বিনোদন: একই কথা বার বার বললে মিথ্যেও যেমন সত্যি মনে হয়, তেমনই সত্যি-মিথ্যে মিশিয়ে বললে সেটাই যেন বাস্তব হয়ে দাঁড়ায়। সুজয় ঘোষের ‘বাদলা’ ছবিটি যেন তারই এ প্রমাণ।

যে গল্পটা আপনি বিশ্বাস করতে শুরু করলেন, খানিকক্ষণ পরে দেখলেন সেটা বদলে গেল। বদল আর বদলা ছবিতে সমান্তরা ভাবে চলতে থাকে। ফোনেটিক্যালি কাছাকাছি দু’টি শব্দের মানে আলাদা। ছবির মূলসূত্র কিন্তু নামকরণেই লুকিয়ে।

আর যারা ‘দ্য ইনভিজিবল গেস্ট’ দেখে ফেলেছেন, তাদের কাছে গোটা ছবিটাই স্পয়েলার। অফিশিয়াল রিমেক হলেই কি হুবহু অনুকরণ করতে হয়? সুজয় চাইলেই কাহিনির নির্যাস নিজের মতো করে সাজাতে পারতেন। কিন্তু তিনি বোধহয় ঝুঁকি নিতে চাননি। শুধু কয়েকটি চরিত্র বদলে দিয়েছেন। এখানেও বদল প্রাসঙ্গিক। নইলে ছবির সিংহভাগ জুড়ে অমিতাভ বচ্চন থাকতেন না। তাপসী পন্নুও তাই। এদের দু’জনের অভিনয়ই ছবিতে তারতম্য ঘটিয়েছে, যেটা মূল ছবির দুর্বলতার জায়গা।

‘দ্য ইনভিজিবল গেস্ট’-এর স্তম্ভ তার চিত্রনাট্য। তাই সুজয়ের ছবিও ভীষণ টানটান। অতিরিক্তের লেশ নেই। গল্পে একাধিক মোচড় দর্শককে বসিয়ে রাখে। উপরন্তু কিছু ভাল সংলাপ রয়েছে অমিতাভের মুখে।

তাপসীর চরিত্রটি জড়িয়ে পড়ে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে। সেখান থেকে সে বেরোতে চায় কি না, তা অপ্রাসঙ্গিক। প্রেমিকের সঙ্গে গাড়ি করে যাওয়ার সময়ে একটি দুর্ঘটনা, মৃত্যু এবং সেখান থেকেই যাবতীয় বিপত্তি। সেই দুর্ঘটনার রেশ থেকে আরো একটি মৃত্যু। যাকে আপাতভাবে খুনি মনে করা হচ্ছে, সে-ই কি আসল অপরাধী? না কি অন্য কিছুও আছে? কথার পৃষ্ঠে কথা, গল্পের পৃষ্ঠে গল্প, ঠিক-ভুলের গরমিল ছবিকে এগিয়ে নিয়ে চলে। গল্পের শেষ মোচড়ও দুর্দান্ত।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন