শিরোনাম :
   মিয়ানমারে বিলাসবহুল হোটেলে ব্যাপক আগুন, নিহত ১    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী    রাবির ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে মেস মালিকদের চরম স্বেচ্ছাচারিতা    বর্ষিয়ান সাংবাদিক বাটুলের হীরক জন্ম জয়ন্তি    ঢাবি’র ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল    দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে গণগ্রন্থাগার     বস্তিবাসীদের জন্য ১০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার    বেড়িবাঁধ পূনঃনির্মাণ কাজ উদ্বোধন:  দুঃখ ঘুচবে শাহ্পরীর দ্বীপের অর্ধলাখ মানুষের    ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য:  রেহাই পেলেন দুই আ. লীগ নেতা    নদীগর্ভে বিলীনের পথে নবনির্মিত সাইক্লোন সেল্টার

হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে করনীয়


রবিবার, ৪ জুন ২০১৭, ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে করনীয়

ডেস্ক প্রতিবেদন: প্রচণ্ড গরমের কারণে সাধারণত ‘হিট স্ট্রোক’ হয়। তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও শরীর চেষ্টা করে দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে। এ জন্য গরম বাড়লে শরীরও ঘামতে শুরু করে। ঘাম বাষ্পীভূত হলে শরীর ঠাণ্ডা হয়। কিন্তু শরীরে ঘামার মতো যথেষ্ট পানি না থাকলে অসুস্থতা দেখা দেয়। শিশু ও বৃদ্ধদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কম। তাই এদের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ: প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ক্লান্ত হয়ে পড়া, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, মাথা ঘুরতে থাকা, মাংসপেশিতে ব্যথ্যা ইত্যাদি। তাত্ক্ষণিক চিকিৎসা না নিলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে উঠে যায়। হৃদযন্ত্র বিকল হলে রক্তচাপ কমতে থাকে। ফুসফুসের ওপর চাপ পড়ায় শ্বাস-প্রশ্বাস কমে যায়। কিডনি কাজ না করায় প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে:

গরমের সময় সারা দিনই একটু পর পর প্রচুর পানি পান করুন। প্রচণ্ড গরমে এর পরিমাণ হতে পারে তিন লিটারেরও বেশি।

প্রচণ্ড রোদ ও গরম পরিহার করুন। কাজ করুন খোলা হাওয়া কিংবা স্বস্তিকর পরিবেশে।

ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। এমন পোশাক পছন্দ করুন, যার ভেতর বাতাস ঢুকতে পারে।

একাধিকবার গোসল করুন। রোদে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন।

শিশু ও বয়স্কদের বেলায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হোন। প্রস্রাবের রং খেয়াল করুন। গাঢ় রঙের হলে আরো বেশি করে পানি খান।

হিট স্ট্রোক হলে করণীয়: 

রোগীকে ফ্যানের বা এসির নিচে ঠাণ্ডা পরিবেশে আনতে হবে। রাস্তাঘাটে ফ্যান/এসি পাওয়া না গেলে জোরে বাতাস করতে হবে।

সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে পর্যাপ্ত পানি পান করাতে হবে।

শরীরের তাপমাত্রা কমানো জরুরি। এ জন্য মাথা ও শরীরে পানি ঢালা যেতে পারে।

দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন