শিরোনাম :

অন্ধকারে বিরামপুর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ড


রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮, ০৭:৪৫ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

অন্ধকারে বিরামপুর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ড

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর গ্রিলের দরজা ফিটিংয়ের সময় গত বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ লাইন ফল্ট হয়ে মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুতের অভাবে ৪ দিন ধরে ঔ ওয়ার্ডটি অন্ধকারে থাকলের এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎের লাইন মেরামতের কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহন করেনি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

রবিবার (১৮ মার্চ) হাসপাতালে গেলে ২১ জন মহিলা ও শিশু রোগি এবং তাদের স্বজনরা ক্ষোভের সাথে দূর্ভোগের অভিযোগ তুলে ধরেন।

রোগিরা অভিযোগকরে বলেন, রাতে ভুতুড়ে অন্ধকারের কারণে তারা ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে থাকেন। শিশুরা অন্ধকারে ভয়ে কান্নাকাটি করে। দিনে প্রচন্ড গরমে রোগিদের নাভিশ^াস ওঠে। এভাবেই অবর্ণনীয় দূর্ভোগে ৪ দিন ধরে চলছে বিরামপুর হাসপাতালের মহিলা ও শিশু ওয়ার্ড।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাহাদত হোসেন জানান, হাসপাতালে বর্তমানে সংস্কার কাজ চলছে। পৃথক দুই ঠিকাদার কাজ পাওয়ায় দু’পক্ষের সমন্বয়ের অভাবে অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, দিনাজপুরের তাজ ট্রেডার্সের শ্রমিকরা গ্রিলের দরজা ফিটিংয়ের সময় গত বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ লাইন ফল্ট হয়ে মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। অপরদিকে ইলেকট্রিক ও পানি লাইন ঠিকাদারের লোকজন ঐ মেরামত কাজ না করেই পালিয়ে গেছে। তিনি বহুবার যোগাযোগ করেও তাদেরকে কাজে ফেরাতে পারছেন না। এদিকে দিনাজপুরের তাজ ট্রেডার্সের সাইট ম্যানেজার প্রাণ বলেন যে, বিদ্যুতের লাইন “ইলেকট্রিক ও পানি লাইন ঠিকাদারের লোকজন” নষ্ট করে গেছে। মোবাইলে ইলেকট্রিক ও পানি লাইন ঠিকাদারের ইলেকট্রিশিয়ান তপু রায় বলেন, ঐ লাইন তাজ ট্রেডার্সের গ্রিল লাগাতে গিয়ে তারাই নষ্ট করে ফেলেছে।

এব্যাপারে দিনাজপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামীম আহমেদ জানান, দুই ঠিকাদারের কাজে সমন্বয়হীনতার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে তিনি লাইন মেরামতের জন্য রবিবার আলাদা বিদ্যুৎ মিস্ত্রি পাঠিয়েছেন বলে জানান।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মওলা বক্স চৌধুরী জানান, বিষয়টি তিনি রবিবার (১৮মার্চ) জানতে পেরেছেন এবং এ ব্যাপারে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ^স্ত করেছেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন