শিরোনাম :

শরীরের দুর্বলতা ও নিরাময়


মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

শরীরের দুর্বলতা ও নিরাময়

অনেকেই দুর্বলতা নিরসনে শিরাপথে স্যালাইন নেন, স্যালাইন খান অথবা ভিটামিন টেবলেট খান। মূলত: দুর্বলতার চিকিৎসা কিন্তু ভিটামিন বা স্যালাইন নয়। হঠাৎ ক্লান্তি ও দুর্বলতা পেয়ে বসলে প্রথমে তার কারণ নির্ণয় করতে হবে। কোনো জটিল ও কঠিন রোগ হয়তো পেছনে ঘাপটি মেরে আছে, অসচেতনতার কারণে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়ে গেলে সর্বনাশ হবে। এসব সেবন করা যেমন কিডনির সমস্যায় রক্তশূন্যতা হয়, শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। হার্টের সমস্যাও মানুষকে দুর্বল করে তুলতে পারে, একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন হার্টের রোগী। এখন কিডনি বা হার্টের রোগীকে স্যালাইন দেওয়া হলে উল্টো শরীরে পানি জমে যায়, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। যার কারণে জটিলতা আরও বৃদ্ধি পায়।

অনেক ক্ষেত্রে আকস্মিক দুর্বলতার কারণ রক্তশূন্যতা। রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা চিহ্নিত না হওয়ার ফলে এর পেছনে দায়ী মূল কারণটিও অজানা রয়ে যেতে পারে। রক্তশূন্যতা হলে আয়রন বড়ি খাওয়া বা রক্ত ভরা কোনো সমাধান নয়, এর পেছনের কারণটা জানা অত্যন্ত জরুরি। হয়তো এর পেছনে পাকস্থলী বা অন্ত্রে কোনো আলসার, ক্ষত, এমনকি ক্যানসার লুকিয়ে আছে। কাজেই রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দেরি করা যাবে না।

ডায়াবেটিসের কারণেও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। যাঁদের কখনো ডায়াবেটিস ছিল না, তাঁদের ক্ষেত্রে দুর্বলতার লক্ষণ থেকে ডায়াবেটিস ধরা পড়তে পারে। রক্তে প্রয়োজনীয় লবণ কমে গেলে কিংবা কোনো জীবাণুর সংক্রমণ হলেও দুর্বলতা হতে পারে। হালকা জ্বর, ওজন হ্রাস থাকলে দুর্বলতার কারণ হিসেবে যক্ষ্মার কথা ভুলে যাওয়া ঠিক নয়।

ক্ষেত্রবিশেষে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, হতাশা বা অনিদ্রাজিনত কারণেও কেউ কেউ দুর্বল হয়ে যান। অতিরিক্ত কাজের চাপ থেকেও হতে পারে এই সমস্যা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ সেবন করাই উত্তম।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন