শিরোনাম :

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণ


সোমবার, ১ জানুয়ারি ২০১৮, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণ

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। গেল বছরে নানা জনবহুল স্থান সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে শঙ্কা ছিল। তাই নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠানে ছিল কড়া নিরাপত্তা। তবে শঙ্কাকে পাশ কাটিয়ে শেষে জয় হয়েছে উচ্ছ্বাসের।

ইন্দোনেশিয়ায় বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছরকে। জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া, ১ জানুয়ারি। ছবি: এএফপিইন্দোনেশিয়ায় বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছরকে। জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া, ১ জানুয়ারি। ছবি: এএফপিএএফপির খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবার ব্রিজে নানা রঙের আতশবাজি ফুটিয়ে ২০১৮ সালকে বরণ করে নেওয়া হয়। শহরের প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অন্যদিকে তাসমান সাগরের আরেক দেশ নিউজিল্যান্ডেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ঘড়িতে রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার ভবন থেকে আতশবাজি ফোটানো হয়। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ছাড়াও এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকা অঞ্চলেও ২০১৭ সালকে বিদায় জানিয়েছে মানুষ।

ফিলিপাইনে মধ্যরাতে আতশবাজি ফুটিয়ে স্বাগত জানানো হয় ২০১৮ সালকে। পারানেক শহরের দর্শনার্থীরা সেই দৃশ্যই উপভোগ করছেন। ম্যানিলা, ফিলিপাইন, ১ জানুয়ারি। ছবি: রয়টার্সফিলিপাইনে মধ্যরাতে আতশবাজি ফুটিয়ে স্বাগত জানানো হয় ২০১৮ সালকে। পারানেক শহরের দর্শনার্থীরা সেই দৃশ্যই উপভোগ করছেন। ম্যানিলা, ফিলিপাইন, ১ জানুয়ারি।

হংকংয়ে মধ্যরাতে প্রায় ১০ মিনিট ধরে সুরের তালে তালে আতশবাজি ফোটানো হয়। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় নতুন বছর উপলক্ষে গণবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। সরকারি উদ্যোগে এ সময় মোট ৫০০ জন দম্পতির বিয়ে হয়। এ ছাড়া নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে দেশটির মূল সড়ক ও পর্যটন স্থানগুলোতে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।হংকংয়ে মধ্যরাতে প্রায় ১০ মিনিট ধরে সুরের তালে তালে আতশবাজি ফোটানো হয়। হংকং, ১ জানুয়ারি। ছবি: রয়টার্সহংকংয়ে মধ্যরাতে প্রায় ১০ মিনিট ধরে সুরের তালে তালে আতশবাজি ফোটানো হয়। হংকং, ১ জানুয়ারি। ছবি: রয়টার্সদুবাইয়ে আতশবাজি ফোটানোর সঙ্গে সঙ্গে ছিল লেজার শোর আয়োজন। বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফাতে লেজার শো আয়োজন করা হয়। রাশিয়ার মস্কোতে মূল সড়কগুলোর মোড়ে আতশবাজি পোড়ানো হয়।

সিঙ্গাপুরে আতশবাজির উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত হয়ে যায় চারপাশ। সিঙ্গাপুর, ১ জানুয়ারি। ছবি: এএফপিসিঙ্গাপুরে আতশবাজির উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত হয়ে যায় চারপাশ। সিঙ্গাপুর, ১ জানুয়ারি। ছবি: এএফপিঅন্যদিকে ফ্রান্সে হাজার হাজার মানুষে মুখরিত ছিল প্যারিসের রাস্তা। নানা রঙের আলোয় সাজানো হয় বিভিন্ন ভবন। গত দুই বছরের মধ্যে এবারই প্যারিসে নতুন বছর বরণের অনুষ্ঠানে এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল নিশ্ছিদ্র। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার পুলিশ ও সেনা সদস্য।

চীনে নাচে-গানে স্বাগত জানানো হয় নতুন বছরকে। বেইজিং, চীন, ১ জানুয়ারি। ছবি: রয়টার্সচীনে নাচে-গানে স্বাগত জানানো হয় নতুন বছরকে। বেইজিং, চীন, ১ জানুয়ারি। ছবি: রয়টার্সশুধু ফ্রান্স নয়। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন বছর বরণের আয়োজনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবার ব্রিজে নানা রঙের আতশবাজি ফুটিয়ে ২০১৮ সালকে বরণ করে নেওয়া হয়। শহরের প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সিডনি, অস্ট্রেলিয়া, ১ জানুয়ারি। ছবি: এএফপিঅস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবার ব্রিজে নানা রঙের আতশবাজি ফুটিয়ে ২০১৮ সালকে বরণ করে নেওয়া হয়। শহরের প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সিডনি, অস্ট্রেলিয়া, ১ জানুয়ারি। 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন