শিরোনাম :

সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪


মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার সামরিক বিমান ঘাঁটিতে হামলার ঘটনায় দেশটির সরকার ও রাশিয়া ইসরাইলকে দোষারোপ করেছে। ওই বিমান হামলায় ইরানের নাগরিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে হোমস শহরের কাছে টি-ফোর হিসেবে পরিচিত তিয়াস বিমান ঘাঁটিতে এই বিমান হামলা চালানো হয়।

আগেও সিরিয়ার বিভিন্ন লক্ষ্যে ইসরাইল হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু এবারের অভিযোগ জবাবে কোনো মন্তব্য করেনি দেশটি। সিরিয়া প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রকে এই হামলার জন্য দায়ী বলে সন্দেহ করেছিল বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

সিরিয়ার সংবাদ সংস্থা সানা একটি সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, বিমান বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা টি-ফোরে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করেছে। তারা বলছে, ইসরাইলের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয় যার মধ্যে পাঁচটি ধ্বংস করে সম্ভব হয়েছিল। তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র বিমান ঘাঁটির পশ্চিম দিকে আঘাত হানে।

সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকা পূর্ব ঘৌতার দৌমায় আসাদ বাহিনী রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করার অভিযোগের পরপরই দেশটির বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালানো হলো।

দৌমায় রাসায়নিক হামলা চলানো হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে ‘পশু’ বলে আখ্যায়িত করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাদেরকে এর জন্য ‘চরম মুল্য দিতে হবে’।

অন্যদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে দৌমার শেষ বিদ্রোহী যোদ্ধারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসার পর আত্মসমর্পণ করেছে এবং তাদেরকে বাসে করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ইসরাইল সাধারণত কোনো হামলার দায় স্বীকার করে না। কিন্তু ২০১২ সাল থেকে তারা সিরিয়ায় এক ডজনেরও বেশি হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এরপর ইরানের একটি ড্রোন ইসরাইলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরাইলের একটি ফাইটার জেট গুলি করে ভূপাতিত করে।

ইসরাইল জানিয়েছে, তারা তাদের অন্যতম শত্রু ইরানকে সিরিয়ায় ঘাঁটি বানাতে দেবে না। তাদের অভিযোগ ইরান ও তার রেভোলুশনারি গার্ডস অনেক দিন থেকেই টি-ফোর বিমান ঘাঁটিতে সক্রিয় রয়েছে এবং তারা সেখান থেকে লেবাননের শিয়া দল হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সরবরাহ করছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন