শিরোনাম :

শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা


রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০২:৫৬ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা

আন্তর্জাতিক: সৌদি আরবের মিনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়ে রোববার শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

আরব নিউজের তথ্য অনুযায়ী, পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মিনায় পৌঁছেছেন হাজিরা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শনিবার রাতেই কেউ গাড়িতে, কেউবা হেঁটে মিনায় পৌঁছান। রোববার সারাদিন তারা সেখানেই অবস্থান করবেন। সেখান থেকে সোমবার তারা আরাফাতের ময়দানে জড়ো হবেন। আরাফাতের ময়দানেই হবে হজের মূল অনুষ্ঠান। সেখানে হজের খুতবা শোনা, এক আজানে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সন্ধ্যায় তারা মুজদালিফার উদ্দেশে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করবেন। মঙ্গলবার পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

'হজ' শব্দের আভিধানিক অর্থ 'ইচ্ছা করা'। এটি ইসলাম ধর্মের পাঁচ স্তম্ভের একটি। সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৫০টি দেশের ২০ লক্ষাধিক মুসল্লি এ বছর হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের মুসল্লি আছেন এক লাখের বেশি। শনিবার রাতে এশার নামাজের পর মুসল্লিরা মক্কার মসজিদ আল হারাম থেকে ৯ কিলোমিটার দূরত্বে মিনায় যান। সেখানে রোববার সারাদিন অবস্থানের পর তালবিয়া পাঠ করে মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়ে পাপমুক্তির আকুল বাসনায় সোমবার তারা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হবেন।

হজে এসে অসুস্থতার জন্য যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদেরও অ্যাম্বুলেন্সে করে আরাফাতের ময়দানে স্বল্প সময়ের জন্য নেওয়া হবে। অন্যরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে থাকবেন। কেউ পাহাড়ের কাছে, কেউ সুবিধাজনক জায়গায় বসে ইবাদত-বন্দেগি করবেন। মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা পাঠ করা হবে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

ওইদিন 'লাব্বায়েক, আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক' ধ্বনিতে ওইদিন মুখর হবে আরাফাতের ময়দান। সাদা ইহরাম বাঁধা অবস্থায় লাখ লাখ হাজির পদচারণায় আরাফাতের ময়দান পরিণত হবে শুভ্রতার সমুদ্রে।

এদিকে হাজিদের নির্বিঘ্নে হজ পালনের জন্য সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের চিকিৎসা ও কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হাজার হাজার চিকিৎসা কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। মক্কা, মিনা, মদিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় বহু অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া হাজিদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন