শিরোনাম :

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ সন্তান!


রবিবার, ২৬ আগস্ট ২০১৮, ১০:০২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ সন্তান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আগেই প্রশ্নের মুখে মুখে পড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার সেই বিতর্ককেও ছাপিয়ে গেল নতুন একটি 'তথ্য'। নিজের পরিচারিকার সঙ্গে নাকি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এমনকি সেই সম্পর্কের জেরে তাঁদের এক সন্তানও হয়েছিল!

এমনই বিতর্কে এখন সরগরম মার্কিন মুলুক। এমনিতেই ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে আমেরিকায় বিতর্ক এবং খবরের কোনও অভাব নেই। সে সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল এ বারের বিতর্ক! সৌজন্যে ট্রাম্প ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের এক প্রাক্তন দ্বাররক্ষী। ডিনো স্যাজুডিন নামে ওই রক্ষীর দাবি, ট্রাম্প টাওয়ারে চাকরি করার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল এক প্রাক্তন পরিচারিকার সমালোচনা না করতে, কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সেই পরিচারিকার সম্পর্ক ছিল এবং তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে। তখনও অবশ্য ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হননি।

কিন্তু এতদিন কেন চুপ করে ছিলেন ওই রক্ষী?

ডিনোর আইনজীবী মার্ক হেল্ড শুক্রবার জানান, ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর 'আমেরিকান মিডিয়া' তাঁর মক্কেলের সঙ্গে একটি চুক্তি করে। চুক্তিতে বলা হয়, 'খবরটির স্বত্ত্ব আমরা কিনে নিচ্ছি। এ বার থেকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারবেন না ডিনো। এর জন্য ৩০ হাজার ডলার দেওয়া হবে তাঁকে। চুক্তি ভাঙলে ডিনোকে ১০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে হবে।' ফলে ২০১৫ থেকেই এ নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। আইনজীবীর দাবি, সম্প্রতি ওই চুক্তি থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রক্ষীকে। তাই এখন আর এ নিয়ে কথা বলতে কোনও অসুবিধা নেই। সিএনএন-এর দাবি, এই চুক্তিপত্রের এক্সক্লুসিভ কপি তাদের হাতে রয়েছে।

সিএনএন-এর দাবি, চলতি বছরের এপ্রিলেই তারা বিষয়টি জানতে পারে। ওই দ্বাররক্ষী নিজে তাদের 'ট্রাম্পের অবৈধ সন্তানে'র খবর দিয়েছিলেন। সে সময় 'আমেরিকান মিডিয়া' জানিয়েছিল, খবরটি ঠিক নয়। হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারাও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। সেই অর্থে কোনও জায়গা থেকেই অবৈধ সন্তানের তত্ত্বের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি সিএনএন। কিন্তু চার মাসের মধ্যেই চুক্তির সত্যতা সামনে চলে এল। স্বাভাবিক ভাবেই এ বার জল্পনা শুরু হয়েছে প্রেসিডেন্টের অবৈধ সন্তানের তত্ত্ব ঘিরে! যুক্তি একটাই, সন্তান যদি না-ই থাকে, তবে গোপনীয়তার চুক্তি কীসের!

অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি)-র আবার দাবি, এই খবর সম্পর্কে অবহিত ছিলেন ট্রাম্পের তৎকালীন অ্যাটর্নি মাইকেল কোহেন। এই খবরটি নিয়ে পত্রিকার সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। তবে কোহেন জানতেন না যে রক্ষীর সঙ্গে পত্রিকার মালিক সংস্থার কোনও চুক্তি হয়েছিল। কোহেন নিজেও এখনও এ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। তবে তিনি যা বলেছেন তা নিয়েও বিতর্ক কম হচ্ছে না। তাঁর অপরাধ 'স্বীকারে'র চোটে তো প্রেসিডেন্ট নিজেই 'অপরাধী' হতে বসেছেন! এমন অবস্থায় ট্রাম্পের 'অবৈধ সন্তান' নিয়েও কোহেন কিছু বলেন কি না, সে দিকে নজর রয়েছে অনেকেরই।

প্রেসিডেন্ট নিজে পান থেকে চুন খসলেই তা নিয়ে টুইটারে সরব হন। সিএনএন-এর সাংবাদিক থেকে নিজের অ্যাটর্নি জেনারেল, কাউকে রেয়াত করেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এত বড় অভিযোগ নিয়ে তিনি কোনও টুইট করেন কি না, সেটাই দেখার। - সংবাদসংস্থা

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন