শিরোনাম :

জেনে নিন ভিন্নধর্মী কয়েকজন রাষ্ট্রনেতার ইতিহাস


শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৭:০৭ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

জেনে নিন ভিন্নধর্মী কয়েকজন রাষ্ট্রনেতার ইতিহাস

ইমরান খান (পাকিস্তান)

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খান এখন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী। ক্রীড়া জগত থেকে অনেকেই রাজনীতিতে পা রাখলেও এবারই প্রথম কোনো খেলোয়াড় একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন। ১৯৯৬ সালে তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। এর আগের নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও এবার অন্যদের পেছনে ফেলে তার দল উঠে এসেছে সবার শীর্ষে। খেলার জীবনকে বিদায় জানিয়ে রাজনৈতিক জীবনেও তরুণদের মন জয় করেন ইমরান। তার ‘নতুন পাকিস্তান’ স্লোগান তরুণ প্রজন্মের মুখে মুখে ফিরছে।

৫ অক্টোবর ১৯৫২ তে পাকিস্তানের লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন ইমরান খান। ১৯৭০ সালে যখন তিনি প্রথম জাতীয় দলে ডাক পান। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারদের একজন। তার অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ জয় করে।

জাস্টিন ট্রুডো (কানাডা)

জাস্টিন ট্রুডো পেশায় ছিলেন টিভি সিরিজের উপস্থাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক। তিনি কানাডার লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে ২০১৫ সালে দেশটির ২৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। কানাডার দ্বিতীয় কম বয়স্ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রুডো।
রাজধানী অটোয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন ট্রুডো। কলেজ জিন-দ্যে-ব্রেবুফ এ পড়াশোনা করেন। ১৯৯৪ সালে ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং ১৯৯৮ সালে ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া থেকে স্নাতক পাশ করেন। তার পিতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় দেওয়া একটি বক্তব্যের মাধ্যমে জনসম্মুখে নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করেন। ট্রুডো ভ্যানকুভারের ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দ্য গ্রেট ওয়ার নামক একটি টিভি মিনি সিরিজে তিনি নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগান। বাবার মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর পর তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তার পিতা পিয়েরে ট্রুডোও কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উইনস্টন চার্চিল (ব্রিটেন)

তিনি পেশায় একজন যুদ্ধসাংবাদিক ছিলেন। ওয়শিংটন পোস্ট পত্রিকায় কাজ করতেন। উইনস্টন চার্চিল দুইবার ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। হাতের দুই আঙ্গুল দিয়ে ভি বা বিজয় চিহ্ন দেখিয়ে সারা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন চার্চিল। শুধু তাই নয়, যুদ্ধকালের সফল রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও স্বীয় যোগ্যতা তুলে ধরেছিলেন উইনস্টন চার্চিল।

১৮৭৫ সালের ৩০ নভেম্বর ইংল্যান্ডের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। ইতিহাসের অন্যতম এই রাষ্ট্রনায়ক ছাত্র হিসেবে তেমন কোন সফলতা অর্জন করতে পারেননি। স্কুলের গণ্ডি পেরুতে তাকে তিনটি স্কুল বদলাতে হয়। সামরিক জীবনে প্রবেশ করতে পরীক্ষায় পাস করেন তিনবারের প্রচেষ্টায়। অথচ এক সময় তিনিই হলেন ওয়াশিংটন পোস্টের মতো পত্রিকার রিপোর্টার। তিনিই একমাত্র ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ এবং ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ এই দুই মেয়াদে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন উইনস্টন চার্চিল।


কোলিন্দা গ্র্যাবার (ক্রোয়েশিয়া)

কোলিন্দা গ্র্যাবার একজন কূটনীতিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ক্রোয়েশিয়ার রিজেকে ২৯ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ক্রোয়েশিয়ার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট এবং সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট। ‘জাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ বিষয়ে কোলিন্দা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ইংরেজি, পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন। এ ছাড়া ইতালিয়ান, ফ্রেন্স এবং জার্মান ভাষা বুঝতে কোন সমস্যা হয় না। ২০১৫ থেকে ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এই রাজনীতিবিদ ছিলেন মূলত একজন কূটনীতিবিদ। ন্যাটোতে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। কিছুদিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রোয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতও ছিলেন। দেশটির দক্ষিণপন্থি ক্রোয়েশিয়া ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নের সদস্যও তিনি।

রোনাল্ড রিগ্যান (যুক্তরাষ্ট্র)

রোনাল্ড রিগ্যান পেশায় ছিলেন অভিনেতা ও উপস্থাপক। অভিনয় জগত থেকে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করতে পারেন তা প্রমাণ করেছেন রিগ্যান। তার বর্নিল জীবনের কারণেই আমেরিকার অন্য সব প্রেসিডেন্টকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান। একজন সফল রাজনীতিক এবং অভিনেতা কেমন হতে পারে তার আদর্শ রোনাল্ড রিগ্যান। ১৯১১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন মুলুকে এই প্রতিভাবান ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেন। হলিউডে তার অভিষেক হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। তিনি অর্ধ শতক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। জেনারেল ইলেকট্রিক থিয়েটার এবং ডেথ ভ্যালি ডেইজ টিভি চ্যানেলের উপস্থাপক ছিলেন তিনি। সিনেমা জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ডের সভাপতি হয়েছিলেন রিগ্যান। একজন সফল রাজনীতিক হিসেবে ১৯৬৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়া প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন। মার্কিন রাজনীতিতে তার উপস্থিতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও কর্মউদ্দীপনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি একজন সুবক্তা হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

হাভার্ট হোভার (যুক্তরাষ্ট্র)

হাভার্ট হোভার পেশায় ছিলেন ভূ-তাত্ত্বিক প্রকৌশলী। পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক অদম্য প্রেসিডেন্ট গোটা পৃথিবীতে খ্যাতি লাভ করেছিলেন তিনি।

১৮৯৫ সালে হাভার্ট ভূ-তত্ত্ব বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর গোটা আমেরিকায় ভূ-তাত্ত্বিক হিসেবে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
১৮৯৭ সালে তিনি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সোনার খনিগুলোতে ভূ-তাত্ত্বিক গবেষণা চালিয়েছেন। সেখানে তিনি শুধু একজন গবেষকই ছিলেন না, একজন খনি প্রকৌশলী হিসেবেও বেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। এরপর তিনি মাইন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পান। হাভার্ট চীনা ব্যুরো মাইন এবং চীনা মাইন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সন্স অব গলিয়া, মেনজিজ এবং কুলগার্ডির মতো বিশালাকার সোনার খনিগুলো খনন করেছিলেন। ১৯০৮ সাল পর্যন্ত ভূ-খনন প্রকৌশলী হিসেবে তার কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন। ১৯২৮ সালে তিনি মার্কিন সরকারি ভূ-তাত্ত্বিক খনন পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর হাভার্ট হোভার ১৯৩১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়লাভ করেন।

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (যুক্তরাষ্ট্র)

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ছিলেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা। ১৮৮২ সালের ৩০ জানুয়ারিতে নিউইয়র্ক, হাইড পার্কের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম রুজভেল্টের। তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ছিলেন একজন সিনেটর, নৌবাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। নিউইয়র্ক রাজ্যের গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে পুরো বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক মন্দা ও যুদ্ধের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত, এমন সময় রুজভেল্ট পৃথিবীর কেন্দ্রীয় এক চরিত্রে পরিণত হন। একই ব্যক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে এর ব্যতিক্রম ঘটিয়েছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। যুক্তরাষ্ট্রের তিনবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সুনামের ক্ষেত্রে তাকে পেছনে ফেলতে পারেননি কেউই। এমনকি চতুর্থবারের জন্য মনোনীতও হয়েছিলেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থা প্রতিকূলে থাকার দরুণ আর দায়িত্ব নিতে পারেননি।

আব্রাহাম লিংকন (যুক্তরাষ্ট্র)

আব্রাহাম লিংকন পেশায় ছিলেন একজন পোস্ট মাস্টার। আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট। প্রথম জীবনে তিনি নিজ এলাকায় পোস্ট মাস্টার হিসেবে কাজ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রকে রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধের পরিত্রাণদাতা নায়ক হিসেবে তিনি আবির্ভূত হন। মজার বিষয় হলো আব্রাহাম লিংকনের মদের দোকানের পরিবেশক হিসেবে বৈধ লাইসেন্স ছিল। তার ঘাতক ছিলেন একজন বিখ্যাত অভিনেতা এবং তিনি নিজেও ছিলেন সেই অভিনেতার ভক্ত। এদিকে লিংকনের পুত্র রবার্টকে একবার ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে বাঁচান এডউইন বুথ। তিনি ছিলেন লিংকনের ঘাতক জন উইল্কস বুথের আপন ভাই। আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে আব্রাহাম লিংকনই সর্বপ্রথম মহিলাদের ভোট দেওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করেন। অন্যদিকে তিনি ছিলেন একজন দক্ষ রেসলার। ৩০০ রেসলিংয়ে অংশ নিয়ে মাত্র একটিতে হেরেছিলেন তিনি। আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিসও প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

জিমি কার্টার (যুক্তরাষ্ট্র)

জিমি কার্টার ছিলেন একজন বাদাম বিক্রেতা। একজন আমেরিকান রাজনীতিবিদ, লেখক এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য। তিনি ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। প্রথম জীবনে জিমি কার্টার ছিলেন একজন চীনাবাদাম বিক্রেতা। তিনি তার বাড়িতে চীনাবাদামের চাষ করতেন। পরবর্তী জীবনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট হন। মানবিক অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন ব্যাপক তৎপর। এ জন্য তার জনপ্রিয়তাও ছিল প্রচুর। তিনি কার্টার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৮২ সালে। হ্যাবিট ফর হিউমিনিটি প্রজেক্টের প্রধান ব্যক্তি ছিলেন কার্টার। পরবর্তীতে লেখক হিসেবেও তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তিনি বেশকিছু উল্লেখযোগ্য বই বিভিন্ন বিষয়ে রচনা করেন। চীনাবাদামের ব্যবসা করলেও এর আগে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ইউনাইটেড স্টেটস নেভিতে। সেখানে তিনি নিউক্লিয়ার সাবমেরিনে কাজ করেন। হাইস্কুল শেষ করেই নেভিতে যোগ দেন।

বারাক ওবামা (যুক্তরাষ্ট্র)

বারাক ওবামা পেশায় ছিলেন অধ্যাপক। তিনি অন্যান্য চাকরিতেও নিয়োজিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি অনেক রকম চাকরি করেছেন। তিনি শিকাগোতে অবস্থিত একটি দাতব্য সংস্থায় তিন বছর কাজ করেছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক হিসেবেও তিনি নিয়োজিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচিত ছিলেন তিনি। নিজ দেশের অভ্যন্তরিন সমস্যাগুলোকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছেন। শান্তিতে নোবেল জয়ী বারাক হোসেন ওবামা ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হন এবং ২০০৯ সালে শপথ গ্রহণ করেন।

ভ্লাদিমির পুতিন (রাশিয়া)

ভ্লাদিমির পুতিন পেশায় ছিলেন কেজিবি এজেন্ট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে চতুর্থবারের মতো শপথ নিয়েছেন তিনি।
সেন্ট পিটার্সবার্গে বেড়ে উঠেন পুতিন। পুতিনের বাবা একটি কারখানায় কাজ করতেন এবং তার দাদা ছিলেন একজন বাবুর্চি। জুডো খেলা খেলাতে তিনি পারদর্শি ছিলেন। স্কুলের পড়াশোনা শেষ করার আগেই পুতিনের স্বপ্ন ছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবিতে কাজ করার।

আইন শাস্ত্রে পড়াশোনা করা পুতিন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করেই তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবিতে যোগ দেন। স্নায়ুযুদ্ধের সময় তিনি তৎকালীন পূর্ব জার্মানিতে কেজিবির গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে তার শাসনকালে সাবেক কেজিবির কর্মকর্তারা উচ্চ পদে আসীন হয়েছেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন