শিরোনাম :
   বরগুনায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ: গ্রেপ্তার ২    বাউবি’তে গবেষণা প্রস্তাবনা প্রণয়ন কৌশল তৈরি কর্মশালা    বরগুনায় বাণিজ্যিকভাবে পশু খামার চালু    সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র করছেন খালেদা জিয়া : ওবায়দুল কাদের    ফিরে দেখা ভয়াল ২১ আগস্ট: প্রিয় নেত্রীর জীবন বাঁচাতে শহীদ হয়েছেন সেন্টু    সাপাহারে খায়রুজ্জামান লিটনের ত্রাণ বিতরণ    ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন    বঙ্গবন্ধু নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি: কক্সবাজার সরকারি কলেজের ৫ শিক্ষার্থী বহিস্কার    কক্সবাজারে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ২ যাত্রী নিহত

ঝিনাইদহে দুদকের গণশুনানী টক অব দ্য টাউন


বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট ২০১৭, ০৬:৪৫ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গণশুনানী এখন টক অব দি টাউনে পরিণত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের জবাবদানে সন্তষ্ট হতে পারেনি সচেতন মানুষ। তাই বুধবার বিকাল থেকেই শহরের আনাচে কানাচে ও চায়ের দোকানে বিষয়টি নিয়ে ঝড় ওঠে।

বৃহস্পতিবার অনেকের বলতে শোনা যায় এই গণশুনানীতে কোন কাজ হবে না। থামবে না দুর্নীতি। বিশষে করে তাৎক্ষনিক ভাবে কোন কর্মকর্তার শাস্তি ও অভিযোগ নিস্পত্তি না হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন কেও কেও।

ঝিনাইদহ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খানকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত করতে না পারা স্থানীয় প্রশাসনের ব্যার্থতা বলেও দোষারোপ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে যখন একের পর এক সওজের দুর্নীতির তথ্য উপস্থাপন হচ্ছিল তখন নির্বাহী প্রকৌশলী এসি ছেড়ে দিয়ে দিব্যি তার অফিসে বসে ছিলেন। তিনি সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছেন। তার এই গাদ্দারী মার্কা আচরণের কোন বিহিত করতে পারেননি দুদক কমিশনার। তবে জবাবদিহীমুলক এই অনুষ্ঠানকে অনেকই আবার ইতিবাচক বলে মনে করছেন।

তাদের ভাষ্য আর যাই হোক শত শত মানুষের মধ্যে দুর্নীতিবাজ হিসেবে তো আখ্যা পাচ্ছে কিছু ঘুষখোর কর্মকর্তা। এটাই আমাদের শান্তনা।

উল্লেখ্য বুধবার ঝিনাইদহ ডাঃ কে আহম্মদ পৌর কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে দুদকের কমিশনারের উপস্থিতিতে গণশুনানীর আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযোগের পাহাড় দেখে দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারি সব অফিস আজ দুর্নীতে নিমজ্জিত। তাদের বিরুদ্ধে মানুষের এতো অভিযোগ তারই প্রমান করে।

গণশুনানীতে শাতাধীক অভিযোগ জমা হলেও ৬৬টিআবেদন আমলে নিয়ে শুনানী করা হয়। শুনানীতে অনেক সরকারি অফিসের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। মানুষের সেবা দেওয়ার নামে ঘুষ বানিজ্য ও হয়রানীর বিষয়টি তুলে ধরে ভুক্তভোগীরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন