ব্রেকিং নিউজ
চার অপারেটরকে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা ফোরজি’র লাইসেন্স হস্তান্তর
শিরোনাম :
   সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি    প্রাথমিক সমাপনীতে শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত    ”পরিক্ষীত পদ্বতিতেই দেশের জ্বালানি নিরপত্তা নিশ্চিত করা হবে”    কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন    স্মারকলিপি গ্রহণ করলেন না রাবি উপাচার্য    এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ৪ শিক্ষক গ্রেপ্তার    আন্দোলনের মুখে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি কার্যক্রম    সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী    সংবাদ সম্মেলনে তিনটি সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী    জামালপুরে আড়াই বছরের শিশুর বিরুদ্ধে মামলা

মানুষ কেন কাঁদে


মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০১৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

মানুষ কেন কাঁদে

ডেস্ক প্রতিবেদন: দুঃখ পেলে, কষ্টে এমনকি আনন্দেও চোখে পানি আসে। কান্না মানুষের জীবনে সাধারণ একটা অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম।

কান্না বিভিন্ন প্রকারের হয়। অনেক মানুষ নিরবে কাঁদেন আবার কেউ চিৎকার করে কাঁদেন। কান্না আবার শরীরের পক্ষেও প্রয়োজনীয়। যে সমস্ত মানুষের চোখে পানি আসে না বা কাঁদে না, তাহলে বুঝতে হবে তারা সুস্থ মানুষ নয়।

কান্নার নির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নেই। কষ্ট, আনন্দ এবং ভয়ের বহিঃপ্রকাশই হল কান্না। কান্না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুঃখের বহিঃপ্রকাশ। কান্না সুস্থ শরীরের লক্ষণ।

চোখ দিয়ে যখন নোনাপানি ঝরে, তাকেই কান্না বলে। এই কান্না বা চোখের জল আবার তিন রকমের। একটাকে বলে ব্যাসাল টিয়ার্স। এটা আমাদের চোখের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। 

আরেক রকম পানির নাম দেওয়া হয়েছে রিফ্লেক্স টিয়ার্স। একটানা কোনো কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ দিয়ে এই পানি বের হয়। ওটাকে বলে রিফ্লেক্স টিয়ার্স। 

আর শেষ রকম চোখের পানির নাম ইমোশনাল টিয়ার্স, যে চোখের পানি নিয়ে আমাদের আলোচনা। এই ইমোশনাল টিয়ার্স কিন্তু শুধুই মানুষের সম্পত্তি।

বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইন তাঁর একটা বইয়ে লিখে গেছেন, ভারতের হাতিরাও নাকি ওদের কেউ মারা গেলে কান্নাকাটি করে। দূর-দূরান্ত থেকে মরা হাতির মৃতদেহ দেখতে যায়। 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় পুরুষের তুলনায় নারীরাই বেশি কাঁদেন। যখন মানুষ কষ্ট পায়, যখন মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। বিশেষ করে একা অনুভব করলে মানুষ বেশি কাঁদে।

মোটকথা, কান্না মোটেও অপরাধ নয় কিংবা লজ্জা পাওয়ার বিষয় নয়; বরং খুবই স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। মানুষের মন খারাপ হলে বা ব্যথা পেলে কাঁদবে, এটাই স্বাভাবিক। মানুষ বলেই না সে কাঁদতে পারে! পশু-পাখিরা কেবল চেঁচাতে-কোঁকাতে পারে, মোটেই কাঁদতে পারে না। সূত্র: সংগৃহিত

এমকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন