শিরোনাম :

ফেস সিরাম কেন ব্যবহার করা উচিত?


বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ফেস সিরাম কেন ব্যবহার করা উচিত?

ডেস্ক প্রতিবেদন: অনেকেই ভাবেন ফেস সিরাম মানেই বাড়তি খরচ। ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য ফেসওয়াশ-ক্রিম ব্যবহারই যথেষ্ট। যদি আপনিও মনে মনে এমন ধারণা পোষণ করেন, তবে জেনে নিন, কীভাবে সিরামই ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে আপনার ত্বকে-

সিরাম কী?

বেশকিছু কার্যকরি ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ উপাদানের মিশ্রণই হল সিরাম। এটি ময়েশ্চারাইজ়ারের থেকে অনেক বেশি হালকা। সাধারণত, ময়েশ্চারাইজ়ারের আগে ব্যবহার করা হয় সিরাম। ছোটো ছোটো মলিকিউলস দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, তাই ত্বক বা চুলে সহজেই মিশে যেতে পারে।

সিরাম কি হতে পারে ময়েশ্চারাইজ়ারের বিকল্প?

একেবারেই না। সিরাম ব্যবহার করতে হবে ময়েশ্চারাইজ়ারের আগে। সিরাম ত্বকের গভীরে গিয়ে বলিরেখা বা নিষ্প্রাণ ত্বকের সমস্যার বেশকিছু সমস্যার সমাধান করে। আর ময়েশ্চারাইজ়ার সিরামের উপর একটা আস্তরণ তৈরি করে সিরামের গুণগুলিকে রক্ষা করে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন ফেস সিরাম?

কোনও উপাদানকে ত্বকের গভীরে সহজেই পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হয় সিরাম। সরাসরি ত্বকে কাজ করে বলে সিরাম ব্যবহারের ফল হয় দারুন। বিশেষত, দাগছোপ, বলিরেখা, কোঁটকানোভাব বা শুষ্কতা ইত্যাদির মোকাবিলা করে সিরাম। তাই, ত্বক পরিষ্কার করার পর এবং ময়েশ্চারাইজ়ার লাগানোর আগে সিরাম ব্যবহার করা উচিত। সিরাম লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। তাহলে, ত্বক তাড়াতাড়ি শুষে নেবে সিরাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তবেই অন্য প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। সাধারণত, দিনে দু’বার ব্যবহার করা উচিত ফেস সিরাম।

সিরামের গুণাগুণ:

ব্যবহার করতে বেশি সময় লাগে না।

তাড়াতাড়ি কাজ করতে শুরু করে।

ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে।

ত্বকের রং উন্নত হয়।

ত্বকের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা জোগায়।

সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

ফোলাভাব কম করে।

দাগছোপ হালকা করে।

ডার্ক সার্কল দূর করে।

ত্বককে সারিয়ে তোলার কাজ শুরু করে।

সঠিক সিরাম কীভাবে বাছবেন?

প্রতিটি সিরামই কার্যকরি উপাদানে পরিপূর্ণ থাকে। এক এক ধরনের ত্বকের জন্য এক একরকম সিরাম পাওয়া যায়। তাই প্রথমেই সিরামের বোতলের পিছনে লেখা থেকে জেনে নিন, তাতে কোন্ কোন্ উপাদান আছে। আর কেনার আগে ত্বকের যে কোনও অংশে অল্প সিরাম লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন, কোনওরকম সমস্যা হচ্ছে কি না। আপনার ত্বকের জন্য কোন সিরাম উপযুক্ত, তা বোঝার জন্য রইল কিছু টিপস-

ব্রণ-ফুসকুড়ি বেশি হয় এমন ত্বকের জন্য বেছে নিন, ভিটামিন-C, জ়িঙ্ক, স্যালিসিলিক অ্যাসিড ও রেটিনলযুক্ত সিরাম। জ়িঙ্ক ত্বকের জ্বালাভাব ও অস্বস্তি দূর করে। রেটিনল ফোলাভাব কমায়। স্যালিসিলিক অ্যাসিড রোমকূপ পরিষ্কার করে। ভিটামিন-C ত্বকে তেল উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য বেছে নিন, ভিটামিন-E, গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ও হাইড্রোলিক অ্যাসিডযুক্ত সিরাম। এর উপাদানগুলি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ় করে, এক্সফোলিয়েট করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়িয়ে ত্বককে করে তোলে কোমল।

নিষ্প্রাণ ত্বকের জন্য বেছে নিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত সিরাম। গ্রিন-টি এক্সট্র্যাক্ট রয়েছে এমন সিরাম ব্যবহার করলে ত্বক ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

ত্বকের কোঁচকানোভাব কম করতে পেপটাইডসমৃদ্ধ সিরাম বাছা উচিত। এরফলে, কোলাজেন ও ইলাস্টিন উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক হয়ে ওঠে টানটান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন