শিরোনাম :
অনুবাদ: আহসান হাবীব

মপাসাঁর গল্প: এ কি ছিল স্বপ্ন?


শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

মপাসাঁর গল্প: এ কি ছিল স্বপ্ন?

আমি তাকে পাগলের মতো ভালবেসেছিলাম!
মানুষ কেন ভালোবাসে ? মানুষ ভালোবাসে কেন ? কতোই অদ্ভুত এইসব—পৃথিবীর শুধুমাত্র একজনই নয়নে, মনে শুধু একটাই ভাবনা, হৃদয়ে একটাই শুধু আকাঙ্ক্ষা, আর ঠোঁটে শুধু একটাই নাম—যে নাম ঝর্ণার জলের মত প্রতিনিয়ত হৃদয়ের গভীর থেকে ঠোঁটে ফিরে ফিরে আসে, যে নাম মানুষ প্রার্থনার মতো বারবার জপে একান্তে, সবখানে ।

আপনাদেরকে আমি আমাদের গল্প বলবো, কারণ ভালোবাসার গল্প চিরকাল এক এবং অভিন্ন । তার সাথে আমার দেখা হল । তার মায়ায় আদর-আলিঙ্গনে জীবনকে ধারণ করলাম; তার বাহুডোরে, তার বসনে, তার বচনে, তার সমস্ত কিছুতে আমি এমন প্রগাঢ়ভাবে প্রলিপ্ত, নিবদ্ধ এবং অভিনিবিষ্ট হয়ে গিয়েছিলাম যে, আমাদের এই প্রবীণ পৃথিবীতে দিন নাকি রাত, মরে গেছি না বেঁচে আছি—পরোয়া করতাম না ।

তারপরে সে পরলোকে চলে গেল । কেমন করে ? আমি জানি না; আমি আর কিছুই জানি না । কিন্তু এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় জলসিক্ত হয়ে সে বাড়ি এলো । পরেরদিন থেকে তার কাশি আরম্ভ হল । প্রায় সপ্তাহ-খানেক কাশার পর সে বিছানায় পড়লো । মনে করতে পারি না কি হয়েছিল কিন্তু ডাক্তার এলো, লিখল এবং চলে গেল । ঔষধপত্র নিয়ে আসা হল, আর কিছু মহিলা সেগুলো ওকে খাওয়ালো। ওর হাত গরম, কপাল পুড়ে যাচ্ছিলো এবং চোখ ছিল উজ্জ্বল, বিষাদময় । আমি যখন ওর সাথে কথা বলেছিলাম, তখন ও উত্তর দিয়েছিল । কিন্তু মনে নেই আমরা কি কথা বলেছিলাম। আমি সবকিছু ভুলে গেছি, সবকিছু, সবকিছু ! সে মরে গেল । তার হালকা, দুর্বল দীর্ঘশ্বাস আমার খুব ভালো করে মনে আছে। নার্স বলল: “আহ!” এবং আমি বুঝতে পারলাম—আমি বুঝলাম !

এর থেকে বেশি আমি আর জানি না, কিছুই না। একজন পুরোহিতের সাথে দেখা হল আমার। তিনি বললেন: “আপনার মিস্ট্রেস?” আমার কাছে মনে হল যেন তিনি ওকে অপমান করছিলো । যেহেতু সে মৃত সেহেতু আর এরকম বলার অধিকার কারোর ছিল না। এই পুরোহিতকে বের করে দিলাম । আরেকজন পুরোহিত আসলো । তিনি খুব সদয় এবং কোমল প্রকৃতির । তিনি যখন ওর বিষয়ে আমার সাথে কথা বলছিল তখন চোখে আমার অশ্রুধারা বয়ে যাচ্ছিলো ।

শেষকৃত্যের জন্য তারা আমার পরামর্শ চেয়েছিল, কিন্তু তারা কি বলেছিল আমি কিছুই মনে করতে পারি না । কিন্তু যখন তারা ওকে কফিনের ভিতর পেরেকবদ্ধ করেছিল তখন কফিন এবং হাতুড়ির যে শব্দ হয়েছিল তার কথা আমার মনে আছে । ওহ ! ঈশ্বর, ঈশ্বর !

ওকে সমাধিস্থ করা হল ! সমাধিস্থ ! ওকে ! সেই গর্তের ভিতর! কয়েকজন আসলো—বান্ধবী । আমি চলে গেলাম, সেখান থেকে পালিয়ে চলে গেলাম। দৌড়লাম এবং তারপর রাস্তা দিয়ে হেঁটে আমি বাড়ি চলে গেলাম। পরদিন ভ্রমণে বের হয়েছিলাম।
. . . . . . .

গতকাল আমি প্যারিস ফিরে এসে যখন আবার আমার ঘরটা দেখলাম—আমাদের ঘর, আমদের বিছানা, আমাদের আসবাবপত্র, মৃত্যুর পর একজন মানুষের জীবনের যা অবশিষ্ট থাকে সবকিছু—তখন সতেজ বিষাদের এমন তীব্র আঘাত আমাকে গ্রাস করেছিল যে, মন চাইছিল জানালা খুলে নিজেকে রাস্তায় নিক্ষেপ করি। আমি আর থাকতে পারছিলাম না এইসবে, এই দেয়ালগুলোর মধ্যে যারা ওকে আগলে রেখেছিল, আশ্রয় দিয়েছিল, যারা ওর সহস্র কণা, ওর ত্বক, ওর নিঃশ্বাস তাদের অদৃশ্য চিড়ে সংরক্ষণ করে রেখেছিল । প্রস্থানের উদ্দেশে আমার হ্যাট তুলে নিলাম । যখন দরজায় পৌঁছলাম ঠিক তখন হলের বড় আয়নাটি অতিক্রম করলাম । ওখানে ও আয়নাটি সেঁটে দিয়েছিল যাতে প্রতিদিন বাইরে যাবার সময় মাথা থেকে পা পর্যন্ত ও নিজেকে দেখতে পারে । যাতে সে দেখে নিতে পারে তার সাজসজ্জা ভালো দেখাচ্ছে কি না, তার ক্ষুদ্রাকার জুতা থেকে শিরাবরণ পর্যন্ত যথাযথ রুচিসম্মত কি না ।

এই আয়নার সামনে আমি থেমে গেলাম । এতে সে এতবার প্রতিফলিত হয়েছে—এতবার, এতবার, যে নিশ্চয় এটি তার ছায়া ধরে রেখেছে । আয়নাটিতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কাঁপতে কাঁপতে আমি সেখানে দাড়িয়ে ছিলাম—সেই সমতল, গভীর, শূন্য আয়নায়—যে আয়না তাকে পুরোপুরি ধারণ করেছে এবং অধিকার করেছে আমার মতো, আমার আবেগি চাহনির মতো । আমার মনে হল যেন আয়নাটিকে আমি ভালবেসে ফেলেছি । ছুঁয়ে দেখলাম আয়নাটি—শীতল । ওহ, স্মৃতি ! বিষাদ আরশি, জ্বলন্ত আরশি, বীভৎস আরশি, মানুষকে যাতনা দাও শুধু ! সুখী সেই মানুষ যার হৃদয় সবকিছু ভুলে যায়—হৃদয় যা ধারণ করেছে, যা তার সামনে ঘটেছে, যা হৃদয়ে কিংবা তার ভালোবাসা স্নেহে প্রতিফলিত হয়েছে ! কতো যন্ত্রণা আমার!

মনের অজান্তেই কেমন করে যেন আমি সমাধিস্থলে চলে গেলাম । খুঁজে পেলাম তার সাদামাটা কবর; একটি সাদা মার্বেল ক্রসে লেখা:

সে ভালবেসেছে, ভালোবাসা পেয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে।

সে এখানে নিচে, জীর্ণ অবস্থায় ! কি ভয়ঙ্কর ! মাটিতে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম এবং দীর্ঘ সময়, দীর্ঘ সময় ধরে আমি সেখানেই ছিলাম । তারপর দেখি সন্ধ্যা নেমে এলো । এক অদ্ভুত উন্মত্ত বাসনা, এক হতাশাগ্রস্ত প্রেমিকের বাসনা আমাকে গ্রাস করলো । ইচ্ছে হল তার কবরে কেঁদে কেঁদে রাতটি, গত রাত, কাটিয়ে দিবো । কিন্তু ধরা পড়ে গেলে আমাকে বের করে দেওয়া হবে । আমি কেমন করে পেরেছিলাম ? আমি ছিলাম চতুর । সেখান থেকে উঠে মৃতের নগরীতে ঘোরাফেরা করতে লাগলাম । হাঁটলাম আর হাঁটলাম । যে নগরীতে আমরা থাকি তার তুলনায় এই নগরী কত ছোট। কিন্তু তবুও জীবিতদের থেকে মৃতের সংখ্যা কত বেশি । আমাদের চাই উঁচু উঁচু বাড়ি, প্রসস্ত রাস্তা, চার প্রজন্মের জন্য যথেষ্ট জায়গা, যারা একই সময়ে দিবালোক দর্শন করে, ঝর্ণার পানি এবং আঙুরের মদ পান করে, এবং প্রান্তরের রুটি আহার করে ।

আর মৃতের সমস্ত প্রজন্মের জন্য, আমাদের পর্যন্ত আসা পুরো মানবসোপানের জন্য বলতে গেলে কিছু নাই, কিছুই না ! পৃথিবী তাদের ফিরিয়ে নেয় এবং বিস্মৃতি তাদের বিলোপ করে দেয়। বিদায় !

গোরস্থানের শেষ প্রান্তে এসে হঠাৎ টের পেলাম আমি এর সবচেয়ে পুরনো অংশে, যেখানে অনেক বছর ধরে থাকা মৃতদেহ মাটির সাথে মিলিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ক্রসগুলোও ক্ষয়প্রাপ্ত, নষ্ট । অদূর ভবিষ্যতে সম্ভবত নবাগতরা সেখানে স্থান পাবে । এখানে আছে অযত্নে বড় হওয়া গোলাপ, সাইপ্রেস বৃক্ষ, মানবজৈবে পুষ্ট একটি বিমর্ষ, সুন্দর বাগান।

আমি একা ছিলাম, সম্পূর্ণ একা । সেজন্য একটি সবুজ গাছে আমি অবনত হয়ে ঘনবদ্ধ, অন্ধকার শাখার মাঝে আমাকে সম্পূর্ণভাবে লুকিয়ে ফেললাম । জাহাজ-বিপর্যস্ত ব্যক্তি যেমন করে কাঠের ফলক আঁকড়ে ধরে তেমন দৃঢ়ভাবে বৃক্ষকাণ্ডে লেগে থেকে আমি প্রতীক্ষা করতে থাকলাম ।

যখন সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে গেল, তখন গুপ্তাবাস ছেড়ে মৃতমানবপূর্ণ পটভূমির মধ্য দিয়ে হাঁটতে আরম্ভ করলাম নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে, অস্ফুটভাবে । দীর্ঘ সময় আমি ঘুরে বেড়ালাম, কিন্তু তার সমাধি আর খুঁজে পেলাম না । হাত পা হাঁটু বুক, এমনকি মাথায় সমাধিগুলোর সাথে ধাক্কা খেতে খেতে খুঁজে চললাম প্রসারিত বাহু নিয়ে; কিন্তু তাকে পেলাম না । অন্ধ মানুষের মতো হাতড়ায়ে পথ খুঁজতে থাকলাম; পাথর, ক্রস, লোহার বেড়া, ধাতবমাল্য এবং বিবর্ণ ফুলের মালার স্পর্শ অনুভব করতে পারছিলাম ! অক্ষরের উপর দিয়ে আঙুল চালিয়ে আমি নামগুলো পড়ে নিয়েছিলাম। কি এক রাত! কি এক রাত! আমি আর তাকে খুঁজে পেলাম না !

কোন চাঁদ ছিল না সেখানে। কি এক রাত! আমি ভীত-শঙ্কিত, প্রচণ্ড ভীত—সেই অপ্রশস্ত পথগুলো, দুই ধারে সমাধি-সারি । কবর ! কবর ! কবর ! শুধু কবর ! ডানে, বামে, সামনে, সবখানে শুধু কবর ! একটা কবরে আমি বসে পড়লাম কারণ আমি আর হাঁটতে পারছিলাম না; আমার হাঁটু খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল। হৃদয়ের স্পন্দন শুনতে পাচ্ছিলাম ! এবং অন্য কিছু একটাও শুনতে পেলাম আমি । কী ? এক অকথ্য, বিভ্রান্ত শব্দ । এই শব্দ কি আমার মাথায়, নাকি দুর্ভেদ্য রাতে, নাকি মৃতমানবপূর্ণ রহস্যঘন পৃথিবীর নিচে ? আমি চারদিক দেখে নিলাম, কিন্তু কতক্ষণ সেখানে ছিলাম বলতে পারি না । আতঙ্কে অসাড়, ভয়ে আমি হিম হয়ে গিয়েছিলাম, চিৎকার করার জন্য উদ্যত, মরবার আমি জন্য প্রস্তুত ।

হঠাৎ আমার মনে হল, যে মার্বেল-ফলকে আমি বসে ছিলাম সেটি নড়ছে । এমনভাবে নড়ছিল যেন নিঃসন্দেহে সেটিকে উপরে তোলা হচ্ছে । এক লাফে আমি পার্শ্ববর্তী একটি কবরে যেয়ে পড়লাম, আর দেখলাম, হ্যাঁ, আমি স্পষ্টভাবে দেখলাম এইমাত্র যে পাথর থেকে আমি নেমে আসলাম সেটি উপরে দিকে উঠছে । তারপর পাথরটি আনত পীঠ দিয়ে পিছনে ফেলে বের হল এক মৃত ব্যক্তি, একটি বিবস্ত্র কঙ্কাল । রাত্রিটি খুব অন্ধকার হলেও কঙ্কালটি আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কারভাবে দেখতে পেলাম । ক্রসের উপর লেখাটি আমি পড়লাম:

এখানে শায়িত আছেন জ্যাক অলিভান্ট । তিনি একান্ন বছর বয়সে পরলোক গমন করেন । তিনি তার পরিবারকে ভালবেসেছেন; ছিলেন সদাশয় এবং সম্মান্য । তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন প্রভুর কৃপায় ।

সমাধিশিলার লেখাটি মৃত ব্যক্তিটিও পড়ে নিলো; তারপর অনেকটা তীক্ষ্ণাগ্র একটি পাথর রাস্তা থেকে সে তুলে নিয়ে সাবধানে অক্ষরগুলো ঘষতে আরম্ভ করলো । ধীরে ধীরে সে মুছে ফেলল সেগুলো । আর যেখানে অক্ষরগুলো খোদাই করা ছিল সেই জায়গাগুলো সে তার কোটরচোখে দেখে নিলো । তারপর, লুচিফার দিয়াশলাইয়ের আগা দিয়ে বালকেরা দেয়ালে যেমন লেখে তেমন করে তার তর্জনী-অস্থির ডগার সাহায্যে দীপ্ত হরফে সে লিখল:

এখানে ঘুমিয়ে আছে জ্যাক অলিভান্ট । সে একান্ন বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেছে। তার নির্দয়তা তার বাবার মৃত্যু তরান্বিত করেছে কারণ সে বাবার ধনসম্পদ উত্তরাধিকার করতে চেয়েছিল । স্ত্রীকে সে নির্যাতন করেছে । সন্তানদের কষ্ট দিয়েছে । প্রতিবেশীদের প্রতারিত করেছে । যাদের পেরেছে প্রত্যেককে বঞ্চিত করেছে এবং শোচনীয়ভাবে মারা গেছে ।

লেখা শেষ করে মৃত ব্যক্তিটি নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে তার লেখার দিকে দেখতে থাকলো । ঘুরে থাকাতেই দেখলাম সব কবর উন্মুক্ত । কবরগুলো থেকে সমস্ত মৃতদেহ বের হয়ে এসেছে এবং সবাই তাদের সমাধি-শিলায় স্বজনদের খোদাইকৃত কথাগুলো মুছে ফেলে সেগুলোর পরিবর্তে সত্য কথাগুলো লিখেছে । জানলাম সকলে ছিল তাদের প্রতিবেশী-পীড়ক—বিদ্বেষপরায়ণ, অসৎ, ভণ্ড, মিথ্যাবাদী, বদমাশ, নিন্দুক, হিংসুক । চুরি, প্রতারণা থেকে শুরু করে সকল প্রকার লজ্জাস্কর এবং জঘন্য কাজ তারা করেছে—করেছে এইসব ভালো বাবারা, এইসব বিশ্বাসভাজন স্ত্রীরা, এইসব অনুগত পুত্ররা, এইসব সতী কন্যারা, এইসব সৎ ব্যবসায়ীরা, এইসব নারী পুরুষ যাদেরকে নিখুঁত নিষ্কলঙ্ক আখ্যা দেওয়া হয়েছিল । তাদের চিরন্তন নিকেতনের প্রবেশদ্বারে তারা সবাই একসাথে সত্য কথাগুলো লেখাছিল । তারা যখন বেঁচে ছিল তখন প্রত্যেকের কাছে এই নিদারুণ, বিশুদ্ধ সত্য অজানা ছিল অথবা সবাই না জানার ভান করেছিল ।

আমি ভাবলাম সে-ও নিশ্চয় তার সমাধিশিলার উপর কিছু লিখেছে । এবং তখন অর্ধ-উন্মুক্ত কফিন, কঙ্কাল এবং মৃতদেহের ভিতর দিয়ে নির্ভয়ে আমি দৌড়ে চললাম তার দিকে । নিশ্চিত ছিলাম খুব তাড়াতাড়ি আমি তাকে পেয়ে যাব । একটু পরেই মুখ না দেখেই আমি তাকে চিনে ফেললাম । তার মুখ ছিল কাফনের কাপড়ে আবৃত । মার্বেল ক্রসে যেখানে একটু আগেই পড়েছিলাম:

সে ভালবেসেছে, ভালোবাসা পেয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে ।

এখন সেখানে দেখি:
একদিন বৃষ্টির মধ্যে তার প্রেমিককে ধোঁকা দেয়ার উদ্দেশে বাইরে বের হওয়ার পর সে ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয় এবং মারা যায় ।
. . . . . . .

মনে হয় ভোর বেলা সমাধির উপর অচেতন অবস্থায় তারা আমাকে আবিষ্কার করেছিলো ।

 

Original Story: Was it a Dream? by Guy de Maupassant

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন