শিরোনাম :
   প্রধান বিচারপতির সরে যাওয়া উচিত ছিল : প্রধানমন্ত্রী    নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক    কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আজ সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)    কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ    ১৯ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ১০ বছরের স্বশ্রম কারাদন্ড    বরিশালে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প    গৃহবধূকে নির্যাতনের পর তালাবদ্ধ করে রেখেছে পাষন্ড স্বামী    বরিশালে র‌্যাবের ভূয়া মেজর আটক    বিসিসিতে পশু কোরবানীর জন্য ১৭৪ স্থান নির্ধারণ

‘সাহিত্যে সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়’


সোমবার, ১৯ জুন ২০১৭, ০৬:৩৪ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

‘সাহিত্যে সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়’

ডেস্ক প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাহিত্যে বেগম সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

আগামীকাল বেগম সুফিয়া কামালের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। ’

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নিমর্মভাবে হত্যা করে যখন এ দেশের ইতিহাস বিবৃতির পালা শুরু হয়, তখনও সুফিয়া কামালের সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি বলেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত বেগম সুফিয়া কামালের ১০৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন