শিরোনাম :

সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী


সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এবারও যদি কোনো দল নির্বাচনে না আসে, তাহলে আমাদের কী করার আছে? কোন দল নির্বাচন করবে, কোন দল নির্বাচন করবে না—সেটা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত। কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, তাহলে সেটা তাদের গায়ের জোরের কথা। সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে।

আজ সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ইতালি সফর শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধানে যেভাবে আছে, যারা জনগণের ওপর বিশ্বাস করে তারা নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে। বিএনপি গায়ের জোরে বলতে পারে নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। কারণ তাদের জন্মই হয়েছিল গায়ের জোরে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল দুদক। আর আদালত রায় দিয়েছে। সেখানে সরকারের কিছু করার নেই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেকে আছেন শুধু দিতেই পারে। আমরা দুই বোন, আমাদের একটা মাত্র বাড়ি। আমার আব্বা সারাজীবন জনগণের জন্য কাজ করেছেন, ওই বাড়িটি তাই জনগণের জন্য দিয়ে দিয়েছি। আমরা ট্রাস্ট করে ১৭০০ থেকে ১৮০০ জনকে সহায়তা করি। আমরা এটা নিয়ে খুব একটা প্রচারও করি না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোম সফর শেষে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের পর এই প্রথম তাকে সামনে পেলেন সাংবাদিকরা।

সংবাদ সম্মেলন শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়।

শেখ হাসিনা বলেন, চালের দাম বাড়ানোয় মিডিয়ারও একটু অবদান আছে। ব্যবসায়ীরা যখন চালের দাম বাড়ায়, তখন আপনারা যারা বলেন, তাতে ব্যবসায়ীরা বলেন, আরেকটু বাড়িয়ে নিই।

একাত্তর টিভির ফারজানা রূপা বলেন, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের তহবিলে এখন ২৯ লাখ টাকা আছে, এখন সরকার কি তা এতিমদের কাছে বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে কি না?

কারাগারে খালেদা জিয়ার জন্য ব্যক্তিগত গৃহকর্মী রয়েছে, অন্যদের ক্ষেত্রে তা হবে কি না- সেই প্রশ্নও করেন রূপা।

কেউ যদি এতিমের টাকা আসার পরও মায়া ত্যাগ করতে না পারে, তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমি বলতে গেলেই তো..।

শেখ হাসিনা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে আমাকে শ্যাওলা ধরা একটি ভবনে রাখা হয়েছিল, খাট ছিল ভাঙা। তাকে রাখা হয়েছিল স্পিকারের বাড়িতে, তার সঙ্গে এই ফাতেমাকে দেওয়া হয়েছিল। এটা গোপন ছিল। ডিআইজি হায়দার (সামছুল হায়দার সিদ্দিকী) সাহেবকে জিজ্ঞাস করলেই জানতে পারবেন।

আদালত দিয়েছেন। বেশি কিছু তো দেওয়ার নেই, একজন মেইড সার্ভেন্ট দিয়েছে। যদি আরও কিছু ডিমান্ড করে। একাত্তর টিভির ফারজানা রূপা বলেন, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের তহবিলে এখন ২৯ লাখ টাকা আছে, এখন সরকার কি তা এতিমদের কাছে বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে কি না?

কারাগারে খালেদা জিয়ার জন্য ব্যক্তিগত গৃহকর্মী রয়েছে, অন্যদের ক্ষেত্রে তা হবে কি না- সেই প্রশ্নও করেন রূপা।

শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমার নানা টালবাহানা করেছে। তারা আট হাজার নিতে বলেছে এখন, আমরা বলছি আট হাজার আগে নিক। তারপর আমরা দেখব, তারা এদের সঙ্গে কী ব্যবহার করে।

শেখ হাসিনা বলেছেন, নেওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য ভাসানচরে ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। প্রথমে এক লাখ মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে।

এটিএন বাংলার জ ই মামুনের রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল নিয়ে প্রশ্নে শেখ হাসিনা প্রথমেই বলেন, রোহিঙ্গারা এখন বালুখালীতে আছে। আমরা চাচ্ছি এদের একটা অস্থায়ী ক্যাম্প করে রাখতে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বলছি, সমস্যা সৃষ্টি করেছে মিয়ানমার, সমাধান তাদেরই করতে হবে। এখন একটা সমঝোতা হয়েছে, এখন তারা আট হাজার পরিবারের তালিকা তৈরি। তালিকা সবই তৈরি। এজন্য আমাকে ধন্যবাদ দিতে পারেন, যখন ঢোকা শুরু হল, তখনই প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে টাকা দিয়ে তালিকা, বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করেছি। যারাই ঢুকেছে, তাদের ছবি নিয়ে তাদের আইডি কার্ড করিয়ে রেখেছি। এখন মিয়ানমার অস্বীকার করতে পারবে না যে এরা তাদের না।

রোম সফর শেষে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের পর এই প্রথম তাকে সামনে পেলেন সাংবাদিকরা।

শেখ হাসিনা মন্তব্য করেন, কোনো দিকে দোষ না পেয়ে একটা নিয়ে খোঁচাখুঁচি। তাইলে বলেন যে টিক মার্কটা (নৈব্যক্তিক) বন্ধ করে দেব, আপনারা লেখেন আমরা বন্ধ করে দেব।

শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট আগে প্রশ্ন দেয়, এটা তো জানা কথা। এখন সবার হাতে ফোন, কেউ ছবি তুলে দিতে পারে। কিন্তু আমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দেন, কেউ কি এটা দেখে উত্তর পড়ে লিখে দিতে পারবে? এত ট্যালেন্টেড কে আছে?

শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রী কি নিজে প্রশ্ন পত্র ফাঁস করতে গেছে, না কি সচিব গেছে? কে প্রশ্ন করেছে খুঁজে দেন আমরা শাস্তি দিয়ে দেব।

প্রশ্ন ফাঁসের জন্য ব্যর্থতার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- মাছরাঙা টেলিভিশনের রেজওয়ানুল হক রাজার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁস নতুন কিছু না, কখনও প্রচার হয়, কখনও প্রচার হয় না। প্রশ্নগুলো কতদিন আগে ফাঁস হয়েছে, তা জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। উত্তর পেয়ে বলেন, ২০ মিনিট আগে প্রশ্ন ফাঁস হলে আপনি কি করবেন?

তিনি বলেন, আর আমাদের এখানে এত বেশি ট্যালেন্টেড কে আছে, আধা ঘণ্টা আগে, ২০ মিনিট আগে ওই প্রশ্ন অনুযায়ী বই খুলে উত্তর মুখস্থ করে খাতায় লিখবে, এত ট্যালেন্টেড কে আছে? নির্বাচন না করলে কারও কিছু করার নেই, গতবারও করেনি। নির্বাচনে যদি না আসে, তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। নির্বাচন সময় মতোই হবে। এতিমের টাকা মেরে খেলে শাস্তি, এটা আদালতও দেয়, আল্লাহর তরফ হতেও দেয়। আমাদের তো কিছু করে নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, রায়টা তো আমি দিইনি, রায়টা দিয়েছে কোর্ট। মামলাটা করেছে কে? ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দীন সরকার। ফখরুদ্দীনকে গভর্নর করেছিল। নয়জনকে ডিঙ্গিয়ে মইন উ আহমেদকে সেনাপ্রধান করেছিল। আর ইয়াজউদ্দীন তো তাদের ছিলই। মামলাটা তারা দিয়েছে।

এই মামলাটা ১০ বছর চলেছে। এই মামলায় তিন বার জজ পরিবর্তন হয়েছে, সময় চেয়েছে ১০৯ বার। বহু টালবাহানা আপনারা দেখেছেন। ২৬১ দিনের মতো তারিখ পড়ল। আপিল বিভাগে ২২ বার রিট করা হয়েছিল। এত কিছুর পর তিনি মাত্র ৪৩ দিন কোর্টে হাজির হয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে তারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে। ২০১৩-১৫ পর্যন্ত তারা পাঁচশর মতো মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।

আমাকে যখন জেলে নিয়ে গেল আমি জিল্লুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করলাম। আমি আমার বোনকেও করিনি, ছেলেকেও করিনি। আর আমি কিছু বলতে চাই না। আমরা কিছু বললে তো অনেক দোষ।

খালেদা জিয়ার রায় এবং বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কোর্ট রায় দিয়েছে, আমাদের কিছু করার নেই। এরপরও দোষ আসে আমাদের উপর। দেখুন কোর্টের রায়ের আগে ৭ ধারা সংশোধন করে ইসিতে সাবমিট করেছে। বিএনপির একটি গঠনতন্ত্র আছে, ওটার কোনো খোঁজও পাওয়া যায় না। বিএনপিতে সব ক্ষমতা চেয়ারম্যানের হাতে, আমাদের গঠনতন্ত্রে তা নেই।

দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হলে কেউ তাদের দলে থাকতে পারবে না, তারা সেটা সংশোধন করে নিল। এটা ঠিক চেয়ারম্যান না থাকলে এক নম্বর ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান হবেন চেয়ারম্যান। কিন্তু তিনিও আবার ফেরারী আসামি। আমার প্রশ্ন বিএনপিতে কি এমন কোনো নেই, যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা যেত। একটা লোক কি খুঁজে পাওয়া গেল না, যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা যেত।

আইনটি প্রণয়নের আগে উদ্বেগ বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কেউ কোনো কিছু না করলে অপপ্রয়োগ হবে কেন।মালিক পক্ষ প্রতিনিধি পাঠাতে দেরি করায় ওয়েজ বোর্ড গঠনে দেরি হয়েছে, বলেছেন শেখ হাসিনা।

সাংবাদিকদের মধ্যে শুরুতেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের আশঙ্কার কথা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড দেওয়ার ঘোষণার জন্য সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনটি সুখবর দিলাম; আরেকটি আছে, সেটা পরে দেব। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে কার্গো বিমান পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ‘সুখবর’ও দেন শেখ হাসিনা। আগাম মার্চের যে কোনো সময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে যাবে বলে সুখবর শোনান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ফোর জি যুগে বাংলাদেশের যাওয়ার কথা জানান তিনি। একে তথ্য প্রযুক্তিতে ‘মাইলফলক’ অভিহিত করেন শেখ হাসিনা। মোটামুটি ১০ মিনিটের মধ্যে লিখিত বক্তব্য শেষ করে শেখ হাসিনা রসিকতাচ্ছলে বলেন, ‘শেষ, এবার যাই তাহলে।”

পোপ ফ্রান্সিসের বৈঠকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট অবসানে মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে ক্যাথলিক ধর্মগুরুকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) কার্যক্রম এবং গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণের বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ভাষার মাসে বাহান্নোর ভাষাশহীদদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানবতার দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি এবার পোপ ফ্রান্সিসের আমন্ত্রণে ভ্যাটিকান সিটিতে গিয়েছিলাম। সেখানে তার সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থার প্রশংসার পাশাপাশি, ১০ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাদ্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বমনবতার দৃষ্টান্তে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

চারদিনের ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর শেষে দেশে ফিরে সোমবার বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

‘‘এবারের সফরে আমি পোপকে বলেছি,‘কফি আনান কমিশনের প্রস্তাব মেনে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান করতে হবে। আগামী বর্ষার আগেই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন শুরু করতে হবে। এরপাশাপাশি মিয়ানমারের তাদের জন্য নিরাপদ জায়গার নিশ্চয়তা দিতে হবে। তাদের সাময়িক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পরও যেনো রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা চালিয়ে যাওয়া হয় সেজন্য বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকে অনুরোধ করেছি।’’

এসময় প্রধানমন্ত্রী তার সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এবারের সফরে ইতালিতে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেন। আইএফএডির প্রেসিডেন্ট জিলবেয়ার হুয়াংবোর আমন্ত্রণে সফরটি করেন প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনে মূল প্রবন্ধও উপস্থাপন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার মূলপ্রবন্ধে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানান।

ওই সফরের অংশ হিসেবে পোপ ফ্রান্সিসের আমন্ত্রণে ভ্যাটিকান সিটিতেও যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পোপ ফ্রান্সিস ও ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারি স্টেট কার্ডিনাল পিয়েট্রো প্যারোলিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকালে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছয়টি জেলায় দুস্থ গ্রামীণ জনগণের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও আইএফএডির মধ্যে ৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের একটি ঋণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন